শাহরুখের সাথে আমার প্রথম পরিচয় কবে এটা মনে করতে পারলাম না। সম্ভবত ২০০৭সালে। অল্পদিনের পরিচয়ে তার সাথে আমার সখ্যতা। এরপর ২০০৮সালের পারসোনা’র পিকনিকে হোতাপাড়ায় অনেক মজার একটা দিন কাটে আমাদের। এরপর তার শাহরুখ’স কালেকশনের জন্য ওয়েব (www.shahruks.com) আমি বানাই। তখন একসাথে অনেকদিন আলাপ করি, সাথে ছিল রাজিম আহমেদ: তার সহকারি। সে আমাকে ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করতো, আমিও। এটা অবশ্য সে সবাইকে ডাকে। আমি ওকে তুমি করেই বলতাম যদিও বয়সে সে আমার অনে..ক বড়।

_MG_2380

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ছবিটা তুলেছিলাম এই বছর (২০১০) ১৮জানুয়ারি তার অফিসে। সাথে ক্যামেরা ছিল এবং তার অফিসের লাইটটা অনেক পছন্দের ছিল। সেই লাইটের টেস্ট ছবি এটি।

আমাকে প্রায় সময় এই সদা আনন্দে থাকা মানুষটা ফোন করতেন। তার নতুন শো’রুম নেয়ার সময় ফোন করেছিলেন, সময়ের উল্টাপাল্টায় যাওয়া হয় নাই। তিনি ছিলেন খুব খারাপ একজন ব্যবসায়ী। এতদিন থেকে ডিজাইন করেও নিজের ব্যবসাটা দাড়া করাতে পারেন নি। পারলেন না।_MG_2379

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

তার এই হাসি মিস করব। অনেক বেশী মিস করব।

নীচের ছবিগুলোন তাকে নিয়ে হাসি তামাসা করে তুলেছিলাম। তার ব্যবসায়িক বুদ্ধিকে নিয়ে আমার রসিকতা। বালিঘড়িটি ছিল তার ব্যবসার প্রতীক যা আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাচ্ছে!

_MG_2385

 _MG_2386

 _MG_2387

 _MG_2388

ওনার লাক্স-সুন্দরীদের প্রতিযোগিতা নিয়ে অনেক ঠাট্টা করতাম। আহারে আবার যদি করা যেত!

28
Feb

Portraiture

   Posted by: Nirjhar   in flickr, photography

When there was no civilization in human history the ancient Homo Sapience cave people tried to draw images in cave. Their amazing visual thoughts is today’s cave painting. In the ancient time the pictures were not metaphoric. They draw what they had seen. They were the first Environmental Portrait artist. From their work we’re now familiar with the mighty Mammoth or Giant Tigers. And today’s modern Archaeologist proved those gigantic creatures were present in pre civilized period. They’ve fossils of those creatures now.

My Missing Childhood

Apart from the cave people the early painters draw and sketch human portraits on their canvas. Those days solvent people tried to capture their portraits with the help of the painters. Oil-ink was widely used for this work. On those pre historic photographic period painters were the portrait artist for the rich people. Those portraits are still in our museum. So the modern portraiture concept from the paintings where portrait was exact replica of human face and gesture.

From the history of photography early photographers were painters mostly. They adopt photography or photographic technique to reduce their time on drawing human portraits. Photography came to their door as Prometheus with fire. In early age photography was the main tool to draw portraits.

color of departed souls

Now in this modern era we’ve so many tools to draw or to capture. As capturing a moment is very easy now so the definition or purpose of photography or any visual arts is changed today. Portraiture of any kind is more metaphoric and dynamic. So today’s Portraiture is not only capturing the right moment and expression but a philosophical explanation of situation and environment and politics. Portraits is not only the reflection of time but also a story now. Behind all portraits there is lots of colorful stories now. Even a footprint of a labor is meaningful now a days because that is the expression of environment belonging

এই লেখার বিষয় আমার উপর অর্পিত। পাঠশালার শিক্ষক রেজাউর করিম মনু’র বরাতে আমার লেখনীতে চলে এল। যেহেতু আমি পাঠশালায় অধ্যয়নরত আছি তাই এই লেখাটি আমার পরীক্ষা। প্রিয় পাঠক আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না।

যার হাতে ক্যামেরা থাকে তিনি না চাইলে কখনো ছবি হবে না। মানে কোন একজন ক্যামেরাম্যানের ক্যামেরাগিরি থেকে ছবি বা ফটোগ্রাফ তৈরি হয়। অবশ্য যদি কোন ব্যক্তি অন্ধকারের কোন ছবি তোলেন বা সাদা কোন ছবি তোলেন (কোন ধরনের ডিটেইল ছাড়া) তবে তাকে ছবি বলা ঠিক হবে না। তাই যদি একটু অন্যভাবে বলা যায় ‘আলোকচিত্রায়ন বস্তু অথবা বিষয়বস্তুর চিত্রায়ন নাকি তার উপর আলোকচিত্রীর চিন্তার পরিবেশন?’ তাহলে আলোচনাটা আরো জমে উঠবে।

যেভাবে একটি ছবির ছবি হয়ে ওঠা

ক্যামেরা নামের যন্ত্রের যান্ত্রিক সহায়তায় ফিল্ম অথবা ডিজিটাল মাধ্যমে মানুষ ছবি তৈরি করে। এতে কিছু কারিগরি বিষয় আছে আর আছে ভিউ-ফাইন্ডার দিয়ে দেখে একটা মানুষের বন্দিকরা একটা মূহুর্ত। একটা ছবির জন্মলগ্নে কোন একজনের একটু দৃষ্টির প্রয়োজন হয়, তাই বলা যায় একটা ছবির ছবি হয়ে ওঠাটা নির্ভর করে কোন ব্যক্তির দৃষ্টির পরিবেশনা। আর মানুষের দৃষ্টিপাত চিন্তার একটা অন্যরূপ।

আলোকচিত্রায়নের শুরুর কথা

আলোকচিত্রের শুরুর ইতিহাস ক্যামেরা অবসকিউরার সাথে। তখনকার দিনের পেইন্টাররা কোনকিছুর আকার-প্রকারের প্রজেকশন বুঝতে এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন। পরবর্তিতে এই চিত্রশিল্পীরাই হয়েছিলেন ক্যামেরার অনুরাগী। ক্যামেরা দিয়ে অনেক কম সময়ে মানুষের পোর্ট্রেট করা যেত। ইতিহাসের এই সাক্ষিকে মেনে বলা যায় ফটোগ্রাফি আদতে চিত্রশিল্পীদের ভালোবাসায় সৃষ্টি আর একটি মাধ্যম। বর্তমান সময়ে তাই ফটোগ্রাফি শিল্পকলা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। যেহেতু কোন শিল্পকলা চিন্তার প্রয়োগ ছাড়া তৈরি হয়নি বা হয় না তাই অবশ্যই বলব আলোক চিত্রায়ন আলোকচিত্রীর চিন্তার পরিবেশন।

যেসব আলোকচিত্র বা আলোকচিত্র না

ক্যামেরায় সৃষ্ট সকল ছবিই আলোকচিত্র (কারিগরি ভাবে)। একটি ক্যামেরা দিয়ে যদি একটা বস্তুর ছবি তুলতে দশ জনকে পাঠানো হয় তবে কারো সংগে কারো ছবির মিল পাওয়া যায় না। স্বকীয়তা মানুষের বৈশিষ্ট তাই সবাই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে দেখে। এই তথ্য একাধিকবার প্রমাণিত। তার মানে মানুষভেদে একই বস্তুর ছবি ভিন্নতর হয়। তার মানুষের চিন্তাতরঙ্গের তারতম্যে ছবির তারতম্য।

আজকে যারা অনেক বড় আলোকচিত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বা যারা এখনো প্রতিষ্ঠা পাননি সবাই কিন্তু তর্কে একটা জায়গায় থাকেন, তা হলো তাদের চিন্তার প্রতিচ্ছবি ছবিতে দেখাতে পারছেন কিনা। আজকের সময়ে আলোকচিত্র অনেক বড় একটা যোগাযোগের মাধ্যম। ছবির উপস্থাপন দিয়ে মানুষ সম্ভাবনা অথবা কোন তথ্যকে অনেক সহজে অন্যের দোরগোরায় পৌঁছাতে পারছে। মানুষের ভাবনার জগতে একটি আলোকচিত্র প্রভাব ফেলছে অনেক অংশে। তাই আজকের দিনে খবরের কাগজে কোন দুর্ঘটনার ছবি দেখলে আর বলে দিতে হয় না সেটি দুর্ঘটনা নাকি আনন্দের খবর। আলোকচিত্র সেই ভাষায় পরিণত হয়েছে। আর মানুষের চিন্তার পরিবেশনার মাধ্যমই তো ভাষা। ভাষা দিয়ে মানুষ চিন্তার পরিসর তৈরি করে।

বস্তুর চিত্র বলে আদতে কিছু নেই

কোন বস্তু বা পণ্যের ছবি তুলতে বললে বা তোলা হলে বর্তমান সময়ে তা আর বস্তু থাকছে না। ধরা যাক একটি বস্তু চায়ের কাপ। যখন চায়ের কাপের ছবি তুলতে কেউ ফরমায়েস করেন বা শখের বসেই তুলে থাকেন কেউ ছবি: লক্ষ রাখেন কিভাবে সেই চায়ের কাপটির উপস্থাপন নান্দনিক হয়। বা ফরমায়েসি ছবি হলে তার উদ্দেশ্য থাকে কিভাবে সেটি অনেক দৃষ্টিনন্দন হয় যাতে ক্রেতা বুঝতে পারে কাপের মাহত্ম। তাই নিছক সাধারন বস্তু কাপটি আর সাধারন থাকে না। অনেক বড় স্টার হয়ে যায় কোন এক ফটোগ্রাফারের কেরামতিতে। এভাবেই আমাদের পুঁজিবাদি সমাজব্যবস্থা চলছে। এই সমাজে বাস করে কোন বস্তু ফটোগ্রাফিকে তাই আমার শুধুই বস্তুর ছবি মনে হয় না। বস্তুর ছবি এখন সুচিন্তিত বাজার বিপণনের অনেক বড় হাতিয়ার।

আমি একজন ফটোগ্রাফার। আমি কোন বিষয়বস্তুর ছবি চিন্তা না করে তুলি না। অনেক চিন্তা করেই তুলতে হয় ছবি।

31
Jan

পণ্য সংস্কৃতি

   Posted by: Nirjhar   in Pathshala, photography

DPP_0002 DPP_0003 DPP_0004 DPP_0005 DPP_0006 DPP_0007 DPP_0008 DPP_0009 DPP_0010 DPP_0011 DPP_0012 DPP_0013 DPP_0014 DPP_0015 DPP_0016 DPP_0001

বাংলাদেশের বাণিজ্যমেলা এখন একটি বড় পণ্য-বাজার। গতানুগতিক এই মেলা জন্ম দিয়েছে নতুন ধরনের পণ্য সংস্কৃতির।

কি লিখব? তুমি কি বলে দেবে?

ভালোবাসি… শুধুই ভালোবাসি…

রূপকথা আমার মেয়ের নাম। ওর এখনো জন্ম হয়নি। তবে হবে কোন একদিন। মেয়ের জন্য এই নামটি রেখেছিল আমার ছোট বোন রুকসি; অনেক আগে… প্রায় ৫বছর হবে। তখন রূপকথা অধ্যায় বা আমার সন্তান বিষয়ক কোন আগ্রহ ছিল না। কিন্তু এখন আমি অনুভব করি আমার মেয়েকে।

যখন আমি অনেক আনন্দ বা বেদনার সাথে থাকি আমার মেয়েকে অনুভব করি। তখন শুধূ মনে হয় মন খারাপ করার মতোন কিছু ঘটেনি। আমার মেয়ে আমার সাথে আছে। আমার সার্বক্ষণিক সঙ্গী।

এইযে এখন গভীর রাতে বসে বসে গান শুনছি আর মেয়েকে চিঠি লিখছি: এটা এক ধরনের আশ্রয়। আশ্রয়হীন মানুষ মাত্রই আঁকড়ে ধরে বাঁচি। আমার সন্তান: তোমার জন্য রেখে যাওয়া পৃথিবীটা হয়তো অনেক শীতল হবে! হয়তো বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য তুমি কষ্ট পাবে। আমাকে ক্ষমা করে দিও। একজন দুর্বল বাবা: তোমার জন্য ভালো একটা পৃথিবী বানাতে পারেনি!

আমি মালদ্বীপের মানুষদের হাহাকার শুনতে পাই, শুনতে পাই নিজের দেশের আর্তনাদ। কিছুই করতে পারছি না। একটা বড় দেহে পঁচন ধরেছে: থামাবার কোন উপায় নেই। বসে বসে একটা সুন্দর অনাগত স্বপ্নের মৃত্যুদৃশ্য দেখা!

অনেক দিন কিছু লিখি নাই। আজকে চেষ্টা করছি। দেখা যাক!

একটু আগ পর্যন্ত একটা হিন্দি সিনেমা দেখছিলাম “ওয়েক আপ সিড”। ভালো লাগল। অনেক দিন পর দেখা কোন হিন্দি সিনেমা। একটা বিত্তবান পরিবারের ছেলের বড় হয়ে ওঠার গল্প। মুম্বাইয়ের হাই সোসাইটি’র কচকচানি। খারাপ না। অবশ্য খোঁজ নেয়া দরকার এটা কোন ফিল্মের কপি। আমি বিশ্বাস করি না ইন্ডিয়ানদের মাথা থেকে এই আইডিয়া এসেছে। ইন্ডিয়া আর চায়না একই জাতি আসলে। একজন কপি করে প্রডাক্ট আর একজন আইডিয়া। Copied Ideas Changed their Life.

এখন আমি শুয়ে শুয়ে লিখছি বসার ঘরে। ঘুমাতে হবে। সকালে আমার মায়ের পাঠানো খাবার আনতে যেতে হবে শ্যামলী বাস কাউন্টার। অনেক আগে ঘুমাতে যাওয়ার কথা ছিল। হলো না। আমি এমনই। ৫ডিসেম্বর থেকে পাঠশালা (South Asian Institute of Photography) খোলা। সুতরাং আবারো ক্লাস। ক্লাশ খুলেই এসাইনমেন্ট জমা; বিষয় আত্মপ্রতিকৃতি। আমার সেল্ফ পোর্ট্রেট এখানে দিয়ে দিলাম।16149_188661061500_693881500_3465939_2545560_n

ছবিটি কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলা’র নুনখাওয়ার চর থেকে তোলা। এই ছবির এসিসট্যান্ট হিসেবে সহায়তা করেছেন ফটোগ্রাফার কার্লোস কাজালিস। এবার ওয়ার্ল্ডপ্রেস প্রথম পুরষ্কার জেতা এই ম্যাক্সিকান ফটোগ্রাফার সহ কুড়িগ্রামে ছবি তুলতে গিয়েছিলাম।

Love

Searching for my childhood

Lack of Nature

A School in Dhaka

Re-Enter Moon

My Childhood

Ambition makes us Brutal

A City Without Moonlight

Bricks and Blocks Garden

19
Oct

গরু

   Posted by: Nirjhar   in Pathshala, আমার ছেলেবেলা

এই বয়সে গরু বিষয়ক রচনা লিখতে বললে শুধু একটাই মানে তৈরি করে: আমার বর্ণিল শৈশব! আমি হলফ করে বলতে পারি আমার সমসাময়িক বয়সের (আমার জন্ম ১৯৮০সালে) সবারই জীবনের পথম রচনা ছিল গরু। বা বলা যেতে পারে গরু কে দিয়েই আমাদের গদ্য লেখার হাতেখড়ি!

আমি বড় হয়েছি কুড়িগ্রামের রাঙালীরবস গ্রামে। আমার শৈশবে রচনা লেখা মানেই ছিল চোখ বন্ধ করে মুখস্ত করে ফেলা। মনে পরে হ্যারিকেনের আলোয় বসে পড়তাম তখন। পরীক্ষার সময় রাত জাগতে হতো, তা না হলে বাবা-মা ভাবতেন আমি সিরিয়াস না। আবার পড়া মুখস্ত বলে শোনাতে হতো! কত যে মার খেয়েছি এই গরুর জন্য!

বড় অদ্ভুত ভাবে এই রচনাটি লিখতে গিয়ে আমার উথাল-পাতাল জোৎস্নার কথা মনে পড়ছে। ঠিক এই সময়টায় হালকা কুয়াশা দেখা যেত। পূর্ণিমার সময় সেই কুয়াশাগুলোন অদ্ভুতভাবে শ্যাডোডিটেইলড হতো। হায়রে! ঢাকায় পূর্ণিমাও দেখতে পাইনা। এমনকি রাতে আকাশে তারাও দেখা যায় না!

আমার স্কুল ছিল গ্রামে। প্রথম ক্লাস ছিল একটা আম গাছের নিচে, ইটের উপর বসে। সম্ভবত ১৯৮৪ সালের কথা। স্কুলের নাম ‘রায়গঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়’। অনেক মোটা একজন শিক্ষক ছিলেন, মোজাম্মেল হক স্যার যাকে আমার মোটাস্যার নামেই ডাকতাম। অনেক উদাসীন ভাবে ছাত্রদের পেটাতেন। সেই স্যার আমার প্রথম স্কুল শিক্ষক। স্যার আজকে আর বেঁচে নেই, সেই আম গাছটাও নেই! ক্লাস ওয়ানে থাকতে প্রথম গরু বিষয়ক রচনা লিখেছিলাম।

আমি জানিনা এই রচনা কত শব্দের হতে হবে। কিন্তু বুঝতে পারছি আমার শৈশবের প্রত্যেকটি ঘটনা এই রচনার সাথে সম্পর্কিত। আমার নানারঙের শৈশবকে নতুন করে মনে পড়েছে। এতেই আমি ধন্য। শহরের বাচ্চাগুলোর জন্য মায়া হয়! আমি জানিনা তারা গরু বিষয়ক রচনা এখনো লিখে কিনা। কিন্তু তাদের ইট-কনক্রিটের শৈশবে আর যাই হোক উথাল-পাতাল জোৎস্না থাকবে না।

8
Sep

Replica!

   Posted by: Nirjhar   in Diary

Did I disappoint you, or let you down?
Should I be feeling guilty, or let the judges frown?
‘Cause I saw the end, before we’d begun
Yes, I saw you were blinded and I knew I had won
So I took what’s mine by eternal right
Took your soul out into the night
It may be over but it won’t stop there
I am here for you, if you’d only care
You touched my heart, you touched my soul
You changed my life and all my goals
And love is blind, but that I knew when
My heart was blinded by you
I’ve kissed your lips and held your head
Shared your dreams, and shared your bed
I know you well, I know your smell
I’ve been addicted to you
Goodbye my lover, goodbye my friend
You have been the one
You have been the one for me
Goodbye my lover, goodbye my friend
You have been the one
You have been the one for me
I am a dreamer, and when I wake
You can’t break my spirit
It’s my dreams you take
And as you move on, remember me
Remember us and all we used to be
I’ve seen you cry, I’ve seen you smile
I’ve watched you sleeping for a while
I’d be the father of your child
I’d spend a lifetime with you
I know your fears and you know mine
We’ve had our doubts but now we’re fine
And I love you, I swear that’s true
I cannot live without you
Goodbye my lover, goodbye my friend
You have been the one
You have been the one for me
Goodbye my lover, goodbye my friend
You have been the one
You have been the one for me
And I still hold your hand in mine
In mine when I’m asleep
And I will bear my soul in time
When I’m kneeling at your feet
Goodbye my lover, goodbye my friend
You have been the one
You have been the one for me
Goodbye my lover, goodbye my friend
You have been the one
You have been the one for me
I’m so hollow, baby, I’m so hollow
I’m so, I’m so, I’m so hollow
I’m so hollow, baby, I’m so hollow
I’m so, I’m so, I’m so hollow

ইদানিং বড় অস্থির লাগে। কী জানি খুঁজি আবার খুঁজি না। আসলে আমি এর কিছু জানি না।Clouds at my window মেঘ জানে। আকাশে এখন কি সুন্দর ভবঘুরে মেঘ, সারাদিন তাই মন কেমন করে।

যাও মেঘ যাও উরে

উরে উরে দূরে

যাও মেঘ যাও,

মনের মেঘ গুলো

সাথে নিয়ে যাও।

ছবিটা আমার বাসার বারান্দা থেকে তোলা।

এবার ইচ্ছে মতোন মেঘের ছবি তুলে ফেলব।

27
Jul

Solar Eclipse 2009 and My Village: Kurigram

   Posted by: Nirjhar   in photography

Post Ring-Bigger One

Cornea 2009 Total and the Longest full solar eclipse. Captured from Rangalirbash village of Nageshwari Upozilla at Kurigram District, Bangladesh. Rangalirbash is my own village. :)

Before Forming the Ring-1

On the begenning of forming the Diamond Ring 2009.

Before Forming The Ring-2

Beginning of Diamon Ring, Phase two. 2009

My Village Road

Begenning of teh solar eclipse: Cloud and Blue Sky, Captured from my village.

Our Bricks Field Office

During the Solar Eclipse 2009 from my village.

My Village

Right before the Full Eclipse 2009.

Amar Nana Bari

This clouds I captured from the village Nowdabash of Fulbari Upozilla of Kurigram Distrcit, Bangladesh. This is my Grand Mother’s (Mother) village.

24
Jul

Total Solar Eclipse 2009

   Posted by: Nirjhar   in photography

Enjoy!

_MG_3638 2 3 4 5 final-1

Photos were taken from my village Rangalirbas of Nageshwari Upozilla from District of Kurigram, Bangladesh. Equipment I used was a Canon 5D MarkII Camera with a 70-200mm Canon IS Lseries lens. Used a professional Menfrotto Tripod.

Wikipedia has published my photos for their documentation and also this photos were published in my Facebook account (http://www.facebook.com/nirjhar). I am now uploading the high res version to my flickr account (http://www.flickr.com/photos/lrnirjhar).

So far I know no one got a clear of eclipse due to cloud. I was lucky! If you need any picture of mine for your publication you may contact me directly.

Happy Solar Eclipse!

অনেক দিন হয়ে গেল শেষ লেখাটা’র। আজকে আর একটা চেষ্টা। বছরের শীতকালটায় বাংলায় এখ ধরনের মানুষের মাথায় সমস্যা দেখা দেয়। শীতের পরেই বসন্ত। বসন্তে পাগল হন লেখক এবং কবিরা। আর আমার মতোন না-লেখক এবং না পাগলদের মাথা সব সময়ই খারাপ থাকে, তাই আমরা কিছুই লিখি না। মাঝে মাঝে চেষ্টা করি।

আজকে আমার সদ্য তোলা কিছু ছবি পোস্ট করব। যা’র সিংহ ভাগই আমার ফ্লিকারে আছে.. আর পুরোনো কিছু ছবি.. যা ফ্লিকারে নেই :) .

DSC_0285 DSC_1349 DSC_2155 DSC_2158 DSC_2171 DSC_2395  DSC_2905 DSC_2906 

  বেশীর ভাগ ছবিই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে তোলা। একটা তুলেছিলাম কুড়িগ্রামে।

3
Jun

ডে লাইট সেভিং!

   Posted by: Nirjhar   in ডায়েরি

প্রথমবারের মতোন বাংলাদেশে Daylight Saving সময় চালু হচ্ছে। চালু হচ্ছে ১৯শে জুন। আমার জন্মদিনের ২দিন আগে। তাই এবার আমার জন্মদিন এক ঘন্টা এগিয়ে গেল। কোন যায় আসে না। আমার জন্মদিন কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় কিন্তু আমার অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে।

যখন আমি পেইজফ্লেক্সে কাজ করতাম টাইম জোন নিয়ে সব এপ্লিকেশন কাজ করত। আমার কাজ ছিল এপ্লিকেশনের কোয়ালিটি দেখা। এই টাইম জোন এবং Daylight Savings ডাটাবেজ আমার অনেক রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছিল।

আজকের অনেক ছোট পোস্ট, এটার উদ্দেশ্য হচ্ছে Bye Bye বিজয় লে-আউট। আজকে থেকে আমি ফনেটিক ব্যবহার শুরু করলাম।

Page 1 of 11123456789...Last »