কুষ্টিয়া থেকে রওনা হই ১৪তারিখ দুপুর ২.৩০ এ। আগের রাতে অনেক ভালো ঘুম হয়েছে। প্রায় ১১ঘন্টা ঘুমিয়েছি। ঘুমের আগে আমি লিলুয়া বাতাস বোঝার চেষ্টা করছিলাম। ভাবছিলাম শুধু লালন শাহ’র কথা। লোকটা আজকে শুয়ে আছে, তার চারপাশে সারি সারি কবর। অনেক গুলোন কবরের মাঝে আছেন উনি। মৃতকে পাহারা দিচ্ছে মৃতজনেরা। বিষয়টা খুবই রহস্যময় লাগছিল।
১৪তারিখে অনেক পরে ঘুম ভাঙল। উঠে গোসল দিয়েই খেতে বের হলাম। হোটেলের নাম জাহাঙ্গীর হোটেল। জঘন্য রান্না খেলাম একটা মাছের আইটেমের। তাই আবার এক পিস খাসি’র মাংশ নিলাম। এই রান্না হয়েছে ১০ এ ১২ পাওয়ার মতোন। মাছের রাগ পানি হয়ে গেল। পুরা ডায়েটে থাকা আমি মানুষটা মনের সুখে ভাত খেতে থাকলাম।
বাসে উঠার পর একটু চোখ বুঝলাম। এক ধরনের অন্যরকম ভালো লাগা নিয়ে ফিরছি। অনেক শক্তি সঞ্চয় করে ফিরছি। এই ভালোলাগা নিয়ে চোখ মেলে চাইলাম। সব কিছুই সুন্দর লাগছিল। আকাশে সূর্যকে ঢেকে রেখেছে মেঘ। খুব নিরুত্তাপ একটা দিন। নরম আলো পড়েছে গাছের গায়ে। সেই হালাকা নরম রঙের সাথে মিশে গেলাম। দিগন্ত বিস্তৃত চলনবিলে নৌকা বাইছে জেলেরা। বড় সুন্দর একটা পেইন্টিং। এই গ্যালারির প্রদর্শণী চলল অনেক্ষণ। আর তারপর….
তারপর আবার সেই ঢাকা। সেই ঢাকা……ধুর…..

Tags: cholon bil, kustia, lalon, travel story, travelling





















10 comments so far
Leave a reply