ভালবাসার যখ!
যখ শব্দটার সাথে পরিচিতি আমার শৈশবেই। কোন বই থেকে জানা নয়; আমার পারিপাশ্বিকতা থেকে জানা। অনেক আদরে বড় হয়েছিলাম তাই গল্প শোনানো ছিল এক ধরনের প্রচ্ছন্ন ভালোবাসা। বড়’রা বিশষত বুড়োরা অনেক গল্প শোনাতেন যার বেশীরভাগই ছিল ভৌতিক গল্প। তাই যখ চিনে গেছি।
এই যখের গল্প শুনে আমি কিন্তু কখনই ভয় পেতাম না। খুব কষ্ট হতো। ছোট একটা বাচ্চাকে জ্যান্ত পুঁতে দেয়া হতো টাকা পয়সার সাথে। প্রায়ই আমি সেই ছোট বাচ্চাদের স্বপ্নে দেখতাম। কষ্ট পেতাম। কুড়িগ্রামের গরীম মানুষেরা অন্যের গচ্ছিত টাকার গল্প করতে আনন্দ পেতেন।
ছবিটা সফিউদ্দিন স্যারের আাঁকা। ১৯৮০ সালে। ছবির নাম দ্য টিয়ার
আমি আমার বর্তমান বয়সে আবার যখের গন্ধ পাচ্ছি। আশেপাশের মানুষগুলোর মধ্যে অনেক বেশী যখ প্রবণতা। সবাই এখন ভালোবাসার যখ বানাতে আগ্রহী। যে যখ তাদের সঞ্চিত ভালোবাসাকে ধারন করবে। আমি কোন অবস্থাতেই যখ হতে চাই না। সেই ছোটবেলা থেকেই চাই না।

Tags: love






















5 comments so far
Leave a reply