Archive for the ‘ডায়েরি’ Category

শাহরুখের সাথে আমার প্রথম পরিচয় কবে এটা মনে করতে পারলাম না। সম্ভবত ২০০৭সালে। অল্পদিনের পরিচয়ে তার সাথে আমার সখ্যতা। এরপর ২০০৮সালের পারসোনা’র পিকনিকে হোতাপাড়ায় অনেক মজার একটা দিন কাটে আমাদের। এরপর তার শাহরুখ’স কালেকশনের জন্য ওয়েব (www.shahruks.com) আমি বানাই। তখন একসাথে অনেকদিন আলাপ করি, সাথে ছিল রাজিম আহমেদ: তার সহকারি। সে আমাকে ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করতো, আমিও। এটা অবশ্য সে সবাইকে ডাকে। আমি ওকে তুমি করেই বলতাম যদিও বয়সে সে আমার অনে..ক বড়।

_MG_2380

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ছবিটা তুলেছিলাম এই বছর (২০১০) ১৮জানুয়ারি তার অফিসে। সাথে ক্যামেরা ছিল এবং তার অফিসের লাইটটা অনেক পছন্দের ছিল। সেই লাইটের টেস্ট ছবি এটি।

আমাকে প্রায় সময় এই সদা আনন্দে থাকা মানুষটা ফোন করতেন। তার নতুন শো’রুম নেয়ার সময় ফোন করেছিলেন, সময়ের উল্টাপাল্টায় যাওয়া হয় নাই। তিনি ছিলেন খুব খারাপ একজন ব্যবসায়ী। এতদিন থেকে ডিজাইন করেও নিজের ব্যবসাটা দাড়া করাতে পারেন নি। পারলেন না।_MG_2379

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

তার এই হাসি মিস করব। অনেক বেশী মিস করব।

নীচের ছবিগুলোন তাকে নিয়ে হাসি তামাসা করে তুলেছিলাম। তার ব্যবসায়িক বুদ্ধিকে নিয়ে আমার রসিকতা। বালিঘড়িটি ছিল তার ব্যবসার প্রতীক যা আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাচ্ছে!

_MG_2385

 _MG_2386

 _MG_2387

 _MG_2388

ওনার লাক্স-সুন্দরীদের প্রতিযোগিতা নিয়ে অনেক ঠাট্টা করতাম। আহারে আবার যদি করা যেত!

কি লিখব? তুমি কি বলে দেবে?

ভালোবাসি… শুধুই ভালোবাসি…

রূপকথা আমার মেয়ের নাম। ওর এখনো জন্ম হয়নি। তবে হবে কোন একদিন। মেয়ের জন্য এই নামটি রেখেছিল আমার ছোট বোন রুকসি; অনেক আগে… প্রায় ৫বছর হবে। তখন রূপকথা অধ্যায় বা আমার সন্তান বিষয়ক কোন আগ্রহ ছিল না। কিন্তু এখন আমি অনুভব করি আমার মেয়েকে।

যখন আমি অনেক আনন্দ বা বেদনার সাথে থাকি আমার মেয়েকে অনুভব করি। তখন শুধূ মনে হয় মন খারাপ করার মতোন কিছু ঘটেনি। আমার মেয়ে আমার সাথে আছে। আমার সার্বক্ষণিক সঙ্গী।

এইযে এখন গভীর রাতে বসে বসে গান শুনছি আর মেয়েকে চিঠি লিখছি: এটা এক ধরনের আশ্রয়। আশ্রয়হীন মানুষ মাত্রই আঁকড়ে ধরে বাঁচি। আমার সন্তান: তোমার জন্য রেখে যাওয়া পৃথিবীটা হয়তো অনেক শীতল হবে! হয়তো বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য তুমি কষ্ট পাবে। আমাকে ক্ষমা করে দিও। একজন দুর্বল বাবা: তোমার জন্য ভালো একটা পৃথিবী বানাতে পারেনি!

আমি মালদ্বীপের মানুষদের হাহাকার শুনতে পাই, শুনতে পাই নিজের দেশের আর্তনাদ। কিছুই করতে পারছি না। একটা বড় দেহে পঁচন ধরেছে: থামাবার কোন উপায় নেই। বসে বসে একটা সুন্দর অনাগত স্বপ্নের মৃত্যুদৃশ্য দেখা!

অনেক দিন কিছু লিখি নাই। আজকে চেষ্টা করছি। দেখা যাক!

একটু আগ পর্যন্ত একটা হিন্দি সিনেমা দেখছিলাম “ওয়েক আপ সিড”। ভালো লাগল। অনেক দিন পর দেখা কোন হিন্দি সিনেমা। একটা বিত্তবান পরিবারের ছেলের বড় হয়ে ওঠার গল্প। মুম্বাইয়ের হাই সোসাইটি’র কচকচানি। খারাপ না। অবশ্য খোঁজ নেয়া দরকার এটা কোন ফিল্মের কপি। আমি বিশ্বাস করি না ইন্ডিয়ানদের মাথা থেকে এই আইডিয়া এসেছে। ইন্ডিয়া আর চায়না একই জাতি আসলে। একজন কপি করে প্রডাক্ট আর একজন আইডিয়া। Copied Ideas Changed their Life.

এখন আমি শুয়ে শুয়ে লিখছি বসার ঘরে। ঘুমাতে হবে। সকালে আমার মায়ের পাঠানো খাবার আনতে যেতে হবে শ্যামলী বাস কাউন্টার। অনেক আগে ঘুমাতে যাওয়ার কথা ছিল। হলো না। আমি এমনই। ৫ডিসেম্বর থেকে পাঠশালা (South Asian Institute of Photography) খোলা। সুতরাং আবারো ক্লাস। ক্লাশ খুলেই এসাইনমেন্ট জমা; বিষয় আত্মপ্রতিকৃতি। আমার সেল্ফ পোর্ট্রেট এখানে দিয়ে দিলাম।16149_188661061500_693881500_3465939_2545560_n

ছবিটি কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলা’র নুনখাওয়ার চর থেকে তোলা। এই ছবির এসিসট্যান্ট হিসেবে সহায়তা করেছেন ফটোগ্রাফার কার্লোস কাজালিস। এবার ওয়ার্ল্ডপ্রেস প্রথম পুরষ্কার জেতা এই ম্যাক্সিকান ফটোগ্রাফার সহ কুড়িগ্রামে ছবি তুলতে গিয়েছিলাম।

ইদানিং বড় অস্থির লাগে। কী জানি খুঁজি আবার খুঁজি না। আসলে আমি এর কিছু জানি না।Clouds at my window মেঘ জানে। আকাশে এখন কি সুন্দর ভবঘুরে মেঘ, সারাদিন তাই মন কেমন করে।

যাও মেঘ যাও উরে

উরে উরে দূরে

যাও মেঘ যাও,

মনের মেঘ গুলো

সাথে নিয়ে যাও।

ছবিটা আমার বাসার বারান্দা থেকে তোলা।

এবার ইচ্ছে মতোন মেঘের ছবি তুলে ফেলব।

অনেক দিন হয়ে গেল শেষ লেখাটা’র। আজকে আর একটা চেষ্টা। বছরের শীতকালটায় বাংলায় এখ ধরনের মানুষের মাথায় সমস্যা দেখা দেয়। শীতের পরেই বসন্ত। বসন্তে পাগল হন লেখক এবং কবিরা। আর আমার মতোন না-লেখক এবং না পাগলদের মাথা সব সময়ই খারাপ থাকে, তাই আমরা কিছুই লিখি না। মাঝে মাঝে চেষ্টা করি।

আজকে আমার সদ্য তোলা কিছু ছবি পোস্ট করব। যা’র সিংহ ভাগই আমার ফ্লিকারে আছে.. আর পুরোনো কিছু ছবি.. যা ফ্লিকারে নেই :) .

DSC_0285 DSC_1349 DSC_2155 DSC_2158 DSC_2171 DSC_2395  DSC_2905 DSC_2906 

  বেশীর ভাগ ছবিই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে তোলা। একটা তুলেছিলাম কুড়িগ্রামে।

3
Jun

ডে লাইট সেভিং!

   Posted by: Nirjhar   in ডায়েরি

প্রথমবারের মতোন বাংলাদেশে Daylight Saving সময় চালু হচ্ছে। চালু হচ্ছে ১৯শে জুন। আমার জন্মদিনের ২দিন আগে। তাই এবার আমার জন্মদিন এক ঘন্টা এগিয়ে গেল। কোন যায় আসে না। আমার জন্মদিন কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় কিন্তু আমার অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে।

যখন আমি পেইজফ্লেক্সে কাজ করতাম টাইম জোন নিয়ে সব এপ্লিকেশন কাজ করত। আমার কাজ ছিল এপ্লিকেশনের কোয়ালিটি দেখা। এই টাইম জোন এবং Daylight Savings ডাটাবেজ আমার অনেক রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছিল।

আজকের অনেক ছোট পোস্ট, এটার উদ্দেশ্য হচ্ছে Bye Bye বিজয় লে-আউট। আজকে থেকে আমি ফনেটিক ব্যবহার শুরু করলাম।

আমার টেলিভিশন দেখার সুযোগ খুব কম হয়। তাই অনেক কিছুই জানি না আমি। কয়েকদিন আগে আমি হরলিক্স এর একটা বিজ্ঞাপন দেখলাম যেখানে বলা হয়েছে হরলিক্স খেলে বাচ্চারা হবে টলার, স্ট্রংগার এবং শার্পার। সুন্দর কথা। আমার কোন অভিযোগ নেই। ইন্ডিয়ানদের বানানো জমকালো বিজ্ঞাপন। কিন্তু আপত্তিটা অন্য জায়গায়!

2003071000120302আমি ঠিক বুঝলাম শার্পার এর উদাহরন হিসেবে কেন কনফিউজ করাকে বুঝাবে? যেখানে পুরো মানব জাতির সাধনা কনফিউশন থেকে বের হয়ে আসার আর তারা (!) কিনা শেখাচ্ছে কনফিউজ করা? এটা কী ধরনের রসিকতা। বুঝতে পারলাম ইন্ডিয়ান নামক চাপাবাজ জাতিটার কাছে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু আমাদের দেশে কেন এই বিজ্ঞাপনটা অনুমোদন করা হলো? খুবই কষ্টিত হলাম। এই চাপাবাজ জাতিটা কি আমাদে মিডিয়াটা পুরোটাই কিনে নিয়েছে?

কেউ কি জানেন বিজ্ঞাপন বিষয়ক আমাদের কোন নীতিমালা আছে কিনা? আমার মতে কিছু বিষয়কে এখনই প্রতিরোধ করা উচিৎ।

১. যদি কোন বিদেশী পণ্যকে বাজারজাত করতে হয় তবে তার বিজ্ঞাপনটা অনবশ্যই এ’দেশের মতোন করে নির্মান করতে হবে। কোন ধরনের ডাবিং করে নয়।

২. বিজ্ঞাপনটি অবশ্যই মানসম্মত হতে হবে। তার মানে হলো পয়সা দিয়ে হুট করে কোন কিছু দেখাতে পারবে না। (মনে আছে নিশ্চই: ডিজুসের কিছু বাজে বিজ্ঞাপন সরকার বন্ধ করে দিয়েছিল)।

এই কাজটি করলে একটা অনেক বড় লাভ হবে: আমাদে বিজ্ঞাপন শিল্প অনেক বিশী প্রতিষ্ঠিত হবে। যেহেতু আমরা মুক্ত বাণিজ্যে বাস করছি তাই সেটা পণ্যের মধ্যেই সীমিত করে রাখার এখন উপযুক্ত সময় এসেছে। পণ্যের সাথে ফ্রিতে বিজ্ঞাপণ আমদানী বন্ধ করা উচিৎ এখনই। নইলে মনে হচ্ছে একটা চাপাবাজ প্রজন্ম তৈরি করব আমরা!

[poll id="2"]

আমি এই ঈদের শুভেচ্ছা এখন লিখছি। আর আমার চারপাশে পাখির কলোরব, শরতের পরিষ্কার আকাশ। দিগন্তরেখা ছোঁয়ার অনেক আগেই এঁকে বেঁকে গেছে ফুলকুমার নদী। আমার শৈশবের নদী। নদীর বাঁক ধরে একটু এগুলেই ফাঁকা-বিস্তৃর্ণ মাঠ; তারপরেই দুধকুমার নদী। খালি চোখে দিগন্ত আর এই নদীটি মিলেমিশে গেছে। চোখ আলোর গতিতেই চলে উল্টা প্রতিবিম্বে। মস্তিষ্ক প্রসেস করার যেটুকু সময় তার মধ্যেই আসলে বিস্ময়। আমার বিস্ময়কর গ্রাম। এই বিস্ময় আবিষ্কারের না স্মৃতিমালার এই হিসেব করছি এই ঈদের মেজাজে।

এর আগের তিনটি ঈদ আমি বাড়ি আসতে পারি নাই। এবার আসলাম। তবে এবারের এই আসাকে আমি ফেরা বলতে পারি! বাড়ি ফিরলাম। আবিষ্কারের নেশায়। অনেক কিছু্ দেখার বাসনায়।

DSC_5138

এইযে পূর্বপুরুষদের বানান বাগানে এখন বসে আছি আদিম আর বর্তমানকে নিয়ে। বসে আছি শত বছরের পুরোনো বাগানে আর কোলের উপর ডেলের সর্বাধুনিক (একদম আপডেটেড) ল্যাপটপ কম্পিউটার। মাথার উপর কলতান আর ল্যাপটপে টুইটার.কম। কী অদ্ভুত ব্যাপার। ভার্চুয়ালিটি আর রিয়েলিটি। তাই এখন ভাবছি মাইকেল এরিংটন বা রবার্ট স্কবল কী এই অনুভূতি নিতে পেরেছেন কিনা?

মূল প্রসংগ থেকে সরে যাচ্ছি, আমার গ্রাম থেকে! আমি এবার বাড়িতে গিয়ে সামান্য সময়ের জন্যও বাইরে বের হইনি। শুধু দু’চোখ যতদূর যায় দেখেছি। আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা মানুষের মতোন। বসে ছিলাম পানির নালাটার কাছে। আমার শৈশবে যেখানে অনেক মাছ ধরেছি। শৈশবে তার চারপাশটাকে অরণ্য মনে হতো। এখন ছোট্ট একট জংলা। হায় শৈশব! শৈশবের উদার মন এখন আর নেই। সব কিছুকে ছোট করে দেখার অভ্যাস হয়ে গেছে!

প্রাচীন গাছগুলোন নেই। যেসব গাছে ওঠার কৌশল একসময় আমি জানতাম। কোন গাছের ফলের স্বাদ কেমন তাও ছিল মুখস্ত। স্মৃতিগুলোন নিয়ে তবুও ভালোই ঘসামাজা করি।

DSC_5287 কিছুদিন আগে ঢুলি দাদা মারা গেছেন। প্রাচীন একজন মানুষ ছিলেন। তার কিছু পোট্রেট করা উচিত ছিল। পারলাম না। অনেক ভালো কাজ করা হয় না কিন্তু করার উপযোগিতা চন্তা করতে ভালো লাগে। অলস চিন্তা।

আমাদের বাড়িতে পরম্পরার কুকুর আছে। বাড়ি কখনই কুকুর শূন্য ছিল না। এবার দেখলাম প্রথমবার মা হয়েছে একটা কুকুর। জন্ম দিয়েছে ৮টি বাচ্চার (!)। জন্মের কিছুদিনের মধ্যেই ২টা বাচ্চা মারা যায়। গিয়ে পেলাম ৬টিকে। বড় বিস্ময়কর দৃশ্য। কেবল ঘর থেকে বের হয়েছে বাচ্চাগুলোন। তাই নতুন করে দেখতে শেখা। সব কিছুতেই তাদের অনুসন্ধিৎসু মন। তাই প্রায় সময়ই দেখা গেল পাশের পানির নালায় পরে গেছে এবং চিৎকার করছে। তাদের তুলে দিতে হয় বার বার। এই কুকুর বিষয়ে আর একটা মজার কথা আছে। সেটা আমার বাবাকে নিয়ে!

Mother Dog আমার বাবা হচ্ছেন মজলিশি মানুষ। যেকোন সাধারন কাজকে অনেক আয়োজন করে করতে তিনি ভালোবাসেন। মা কুকুরটা যখন ছোট ছিল, তখন তারা ছিল ৪টি। বাবা একদিন লক্ষ করলেন যে শরীরে তাদের অনেক ময়লা। সঙ্গে সঙ্গে তিনি কিছু লোক নিয়োজিত করলেন পরিষ্কার করার জন্য। সাবান, শ্যাম্পু দিয়ে একাকার। তাদের কে গা শুকানোর জন্য দেয়া হলো নতুন পাটি (বাঁশের)। গোসল শেষে যখন রৌদ্রময় পাটিতে তাদের রাখা হলো তার কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা ধুলায় নেমে পরে গড়াগড়ি দিতে লাগল। স্বভাবিক কুকুরের অভ্যাস। কিন্তু আমার বাবা অনেক হতাস এবং বিরক্ত হলেন। তার এতো আয়োজন কুকুরগুলোন বুঝল না!

তবে এবার আমার কুড়িগ্রাম অধ্যায় অনেক ভালো লেগেছে। যদিও ঢাকায় ফিরি এসেছি ঈদের একদিন পরেই। তবুও বার বার যেতে ইচ্ছে করছে। আমার বাড়ি। আমার নিজের বাড়িটাতে।

ছবির পাখিটা অনেক বেশী পরিচিত সবার কাছে। একজন নিকটজনদের মতোন এই পাখি। যদিও ঢাকায় এর দেখা মেলে না। ইটের বস্তিতে এরা থাকে না।Babler

আমার মা এই পাখিকে ডাকেন ক্যাচকেচি পাখি। তার কাছ থেকে আমিও এটা শিখেছি।

ছবিটা জাহাঙ্গীরনগর থেকে তোলা। আমার ফ্লিকারে পোস্ট করেছি।

www.nirjhar.com

Coppersmith BarbetI took this shot from Jahangir Nagar University Campus, in TSC area. This tree was a Banyan Tree. This bird with his folks was dancing over the branches of that tree. The number of birds was some hundreds. They were eating the fruits of the tree. And they looked very happy (may be the meal was really delicious) while they’re singing and dancing.

পাখিটার বাংলা নাম ভুলে গেছি। সুন্দর একটা নাম আছে। কেউ্ দয়াকরে আপডেট করে দিন। আমার পাখি বিষয়ক জ্ঞান অনেক কম। এই ছবিটাও আমার ফ্লিকারে আপলোড করেছি।

www.nirjhar.com

flamboyant

ছবিটা টোপা পানার। আমরা যারা গ্রামে বড় হয়েছি তাদের কাছে অনেক পরিচিত এটি। অবশ্য ইদানিং এই জলজ উদ্ভিদ আর চোখে পড়ে না। কার্প জাতীয় কিছু মাছের দৌরাত্বে এগুলো ভালো জন্মায় না।

ছবিটা তুলেছিলাম সাভার এলাকা থেকে। একটা পুকুর থেকে। শ্যাওলাভরা একটা পুকুরের দেখা অনেক দিন পরে পেয়েছিলাম। সেই পুকুরের মধ্যে অনেকটা বিষন্ন হয়ে ছিল এই টোপা পানাটি। দলবল ছেড়ে একাকী!

ছবিটি তুলেছিলাম নাইকন ডি-৮০দিয়ে। লেন্স ব্যবহার করেছিলাম সম্ভবত ৩০০মিমি ম্যাক্র। অ্যাপারচার প্রায়রিটিতে।

আমি সবসময় র’তে ছবি তুলি। র প্রসেস করার জন্য ব্যবহার করেছি অ্যাডমি ক্যামেরা র ৪.৫।

অনেক আগের তোলা ছবি। বরাবরের মতোন এটি আমার ফ্লিকারে আপলোড করেছি। ছবিটা খুব ভালো মানের কিছু হয় নি। কিন্তু আমার স্মৃতি’র স্বার্থে রেখে দিলাম। আপনাদেরও ভালো লাগবে না। তবুও শেয়ার করলাম। সবাবইকে শুভেচ্ছা।

www.nirjahr.com

এই সিরিজের আগের লেখাগুলো এখানে:

প্রথম কিস্তি <<<<<

দ্বিতীয় কিস্তি <<<<<

৩য় কিস্তি

আমি হোস্টেলে থাকতাম। ওল্ড ডিওএইচএস, বনানী। আমার ইউনিভার্সিটির অনেকের সাথে। আমি বিবাহিত এই তথ্য কেউই পাত্তা দিল না। বেশ কয়েকদিন কেটে গেল। তখন কুড়িগ্রামে কোন মোবাইলের নেউওয়ার্ক ছিল না। যোগাযোগের কোন বুদ্ধি নেই। মনি (আমার স্ত্রী’র নাম) রংপুরে। তার কলেজ খোলা। এর মধ্যে একদিন যোগাযোগ হলো। আর সাথে সাথে চলে গেলাম রংপুর। বিয়ের পর প্রথম বারের মতোন দেখা করতে যাচ্ছি নিজের বউয়ের সাথে। সময়টা ২০০৩ সালের জানুয়ারি।

moni অনেক ভোরে রংপুরে নামলাম। তারপর অপেক্ষা। একটু আলো ফোটার সাথে সাথেই মনি’র হোস্টেলে চলে যাই। “আলো ফোটা খুব ফোটা এক ফোটা ভোরে” কৃষ্ণকলির গান। যাবার একটু পরেই মনি আসে। ভোরের নরম আলো, নির্ঘুম ফোলা চোখ নিয়ে আমি মনির সামনে। মনি্রো চোখ ফোলা, সারারাত উত্তেজনায় ঘুমায় নি। আমার বয়স তখন ২২বছর ৬মাস আর মনি’র ২০। ওর হোস্টেলের ওয়েটিং রুমে দেখা। ওর সাথের অনেক মেয়ে আসল আমাকে দেখতে। পিচ্চি একটা বড় (আমার চেহারা থেকে এখনএ বাচ্চা বাচ্চা ভাব টা গেল না!)! আমি লাজুক ভাবেই সব মন্তব্য হজম করলাম।

আমার গায়ের সুয়েটারটি জার্নিতে নোংড়া হয়েছিল। মনি এটা ধু’তে নিয়ে গেল। এবং জীবনের প্রথম আমার কাপড় ধুতে গিয়ে বিড়াট একটা হাস্যকর ভুল করল। অতি উত্তেজনায় আমার সুয়েটার না ধুয়ে তার রূমমেটের টা ধুয়ে ফেলে আর সেই সুবাদে আমাকে সেই নোংড়াটাই পড়তে হয়েছিল।

বিয়ের ২মাস পর মনি’র ছবি।

আমরা সারাদিন রিকসায় ঘুরলাম। অনেক আত্মিয়’র বাড়িতে গেলাম। তারপর রাত কাটালাম একটা হোটেলে। পরের দিন আরো অ্যাডভানচারাস! আমরা চলে যাই দিনাজপুর, মনি’র খালার বাড়ির উদ্দেশ্যে। গিয়ে দেখা গেল তারা সবাই কুড়িগ্রামে। আবার ফেরত রংপুরে। সেখানে অপেক্ষা না করে আমরা আবার গাইবান্ধায় গেলাম। মনি’র আর এক খালার বাড়িতে। সেখানে আমরা ২দিন থেকে আবারও রংপুরে। এরপর আমার ভাই শাহীন চৌধুরী আমাদের তার বাসায় নিয়ে আসলেন। প্রথম বারের মতোন আন্তরিক উষ্ণ অভ্যর্থনা।

(চলবে……..)

Dry Love

ছবিটির শিরোনাম Dry Love. আমি তাই আমার পোস্টের শিরোনাম দিলাম বিবর্ণ ভালোবাসা। যদিও জানি না ভালোবাসার রং আসলে কোনটা। তারপরেও যেটিই হোক, তা বিবর্ণ হয় হয়তো!

জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে তোলা ছবিটি। জানুয়ারিতে। একটা ক্যাকটাসের অংশ। অনেকদিন পর আজকে আমার ফ্লিকারে পোস্ট করলাম।

অনেক কাল পরে আবার আমি পুরো বিভ্রান্ত। নিজেকে চিনতে না পারায়। অনেক অস্থির হয়ে আছি। স্বস্তি পাচ্ছি না কোনো ভাবেই।

Page 1 of 6123456