শাহরুখের সাথে আমার প্রথম পরিচয় কবে এটা মনে করতে পারলাম না। সম্ভবত ২০০৭সালে। অল্পদিনের পরিচয়ে তার সাথে আমার সখ্যতা। এরপর ২০০৮সালের পারসোনা’র পিকনিকে হোতাপাড়ায় অনেক মজার একটা দিন কাটে আমাদের। এরপর তার শাহরুখ’স কালেকশনের জন্য ওয়েব (www.shahruks.com) আমি বানাই। তখন একসাথে অনেকদিন আলাপ করি, সাথে ছিল রাজিম আহমেদ: তার সহকারি। সে আমাকে ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করতো, আমিও। এটা অবশ্য সে সবাইকে ডাকে। আমি ওকে তুমি করেই বলতাম যদিও বয়সে সে আমার অনে..ক বড়।
ছবিটা তুলেছিলাম এই বছর (২০১০) ১৮জানুয়ারি তার অফিসে। সাথে ক্যামেরা ছিল এবং তার অফিসের লাইটটা অনেক পছন্দের ছিল। সেই লাইটের টেস্ট ছবি এটি।
আমাকে প্রায় সময় এই সদা আনন্দে থাকা মানুষটা ফোন করতেন। তার নতুন শো’রুম নেয়ার সময় ফোন করেছিলেন, সময়ের উল্টাপাল্টায় যাওয়া হয় নাই। তিনি ছিলেন খুব খারাপ একজন ব্যবসায়ী। এতদিন থেকে ডিজাইন করেও নিজের ব্যবসাটা দাড়া করাতে পারেন নি। পারলেন না।
তার এই হাসি মিস করব। অনেক বেশী মিস করব।
নীচের ছবিগুলোন তাকে নিয়ে হাসি তামাসা করে তুলেছিলাম। তার ব্যবসায়িক বুদ্ধিকে নিয়ে আমার রসিকতা। বালিঘড়িটি ছিল তার ব্যবসার প্রতীক যা আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাচ্ছে!




ওনার লাক্স-সুন্দরীদের প্রতিযোগিতা নিয়ে অনেক ঠাট্টা করতাম। আহারে আবার যদি করা যেত!
When there was no civilization in human history the ancient Homo Sapience cave people tried to draw images in cave. Their amazing visual thoughts is today’s cave painting. In the ancient time the pictures were not metaphoric. They draw what they had seen. They were the first Environmental Portrait artist. From their work we’re now familiar with the mighty Mammoth or Giant Tigers. And today’s modern Archaeologist proved those gigantic creatures were present in pre civilized period. They’ve fossils of those creatures now.

Apart from the cave people the early painters draw and sketch human portraits on their canvas. Those days solvent people tried to capture their portraits with the help of the painters. Oil-ink was widely used for this work. On those pre historic photographic period painters were the portrait artist for the rich people. Those portraits are still in our museum. So the modern portraiture concept from the paintings where portrait was exact replica of human face and gesture.
From the history of photography early photographers were painters mostly. They adopt photography or photographic technique to reduce their time on drawing human portraits. Photography came to their door as Prometheus with fire. In early age photography was the main tool to draw portraits.

Now in this modern era we’ve so many tools to draw or to capture. As capturing a moment is very easy now so the definition or purpose of photography or any visual arts is changed today. Portraiture of any kind is more metaphoric and dynamic. So today’s Portraiture is not only capturing the right moment and expression but a philosophical explanation of situation and environment and politics. Portraits is not only the reflection of time but also a story now. Behind all portraits there is lots of colorful stories now. Even a footprint of a labor is meaningful now a days because that is the expression of environment belonging
এই লেখার বিষয় আমার উপর অর্পিত। পাঠশালার শিক্ষক রেজাউর করিম মনু’র বরাতে আমার লেখনীতে চলে এল। যেহেতু আমি পাঠশালায় অধ্যয়নরত আছি তাই এই লেখাটি আমার পরীক্ষা। প্রিয় পাঠক আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না।
যার হাতে ক্যামেরা থাকে তিনি না চাইলে কখনো ছবি হবে না। মানে কোন একজন ক্যামেরাম্যানের ক্যামেরাগিরি থেকে ছবি বা ফটোগ্রাফ তৈরি হয়। অবশ্য যদি কোন ব্যক্তি অন্ধকারের কোন ছবি তোলেন বা সাদা কোন ছবি তোলেন (কোন ধরনের ডিটেইল ছাড়া) তবে তাকে ছবি বলা ঠিক হবে না। তাই যদি একটু অন্যভাবে বলা যায় ‘আলোকচিত্রায়ন বস্তু অথবা বিষয়বস্তুর চিত্রায়ন নাকি তার উপর আলোকচিত্রীর চিন্তার পরিবেশন?’ তাহলে আলোচনাটা আরো জমে উঠবে।
যেভাবে একটি ছবির ছবি হয়ে ওঠা
ক্যামেরা নামের যন্ত্রের যান্ত্রিক সহায়তায় ফিল্ম অথবা ডিজিটাল মাধ্যমে মানুষ ছবি তৈরি করে। এতে কিছু কারিগরি বিষয় আছে আর আছে ভিউ-ফাইন্ডার দিয়ে দেখে একটা মানুষের বন্দিকরা একটা মূহুর্ত। একটা ছবির জন্মলগ্নে কোন একজনের একটু দৃষ্টির প্রয়োজন হয়, তাই বলা যায় একটা ছবির ছবি হয়ে ওঠাটা নির্ভর করে কোন ব্যক্তির দৃষ্টির পরিবেশনা। আর মানুষের দৃষ্টিপাত চিন্তার একটা অন্যরূপ।
আলোকচিত্রায়নের শুরুর কথা
আলোকচিত্রের শুরুর ইতিহাস ক্যামেরা অবসকিউরার সাথে। তখনকার দিনের পেইন্টাররা কোনকিছুর আকার-প্রকারের প্রজেকশন বুঝতে এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন। পরবর্তিতে এই চিত্রশিল্পীরাই হয়েছিলেন ক্যামেরার অনুরাগী। ক্যামেরা দিয়ে অনেক কম সময়ে মানুষের পোর্ট্রেট করা যেত। ইতিহাসের এই সাক্ষিকে মেনে বলা যায় ফটোগ্রাফি আদতে চিত্রশিল্পীদের ভালোবাসায় সৃষ্টি আর একটি মাধ্যম। বর্তমান সময়ে তাই ফটোগ্রাফি শিল্পকলা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। যেহেতু কোন শিল্পকলা চিন্তার প্রয়োগ ছাড়া তৈরি হয়নি বা হয় না তাই অবশ্যই বলব আলোক চিত্রায়ন আলোকচিত্রীর চিন্তার পরিবেশন।
যেসব আলোকচিত্র বা আলোকচিত্র না
ক্যামেরায় সৃষ্ট সকল ছবিই আলোকচিত্র (কারিগরি ভাবে)। একটি ক্যামেরা দিয়ে যদি একটা বস্তুর ছবি তুলতে দশ জনকে পাঠানো হয় তবে কারো সংগে কারো ছবির মিল পাওয়া যায় না। স্বকীয়তা মানুষের বৈশিষ্ট তাই সবাই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে দেখে। এই তথ্য একাধিকবার প্রমাণিত। তার মানে মানুষভেদে একই বস্তুর ছবি ভিন্নতর হয়। তার মানুষের চিন্তাতরঙ্গের তারতম্যে ছবির তারতম্য।
আজকে যারা অনেক বড় আলোকচিত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বা যারা এখনো প্রতিষ্ঠা পাননি সবাই কিন্তু তর্কে একটা জায়গায় থাকেন, তা হলো তাদের চিন্তার প্রতিচ্ছবি ছবিতে দেখাতে পারছেন কিনা। আজকের সময়ে আলোকচিত্র অনেক বড় একটা যোগাযোগের মাধ্যম। ছবির উপস্থাপন দিয়ে মানুষ সম্ভাবনা অথবা কোন তথ্যকে অনেক সহজে অন্যের দোরগোরায় পৌঁছাতে পারছে। মানুষের ভাবনার জগতে একটি আলোকচিত্র প্রভাব ফেলছে অনেক অংশে। তাই আজকের দিনে খবরের কাগজে কোন দুর্ঘটনার ছবি দেখলে আর বলে দিতে হয় না সেটি দুর্ঘটনা নাকি আনন্দের খবর। আলোকচিত্র সেই ভাষায় পরিণত হয়েছে। আর মানুষের চিন্তার পরিবেশনার মাধ্যমই তো ভাষা। ভাষা দিয়ে মানুষ চিন্তার পরিসর তৈরি করে।
বস্তুর চিত্র বলে আদতে কিছু নেই
কোন বস্তু বা পণ্যের ছবি তুলতে বললে বা তোলা হলে বর্তমান সময়ে তা আর বস্তু থাকছে না। ধরা যাক একটি বস্তু চায়ের কাপ। যখন চায়ের কাপের ছবি তুলতে কেউ ফরমায়েস করেন বা শখের বসেই তুলে থাকেন কেউ ছবি: লক্ষ রাখেন কিভাবে সেই চায়ের কাপটির উপস্থাপন নান্দনিক হয়। বা ফরমায়েসি ছবি হলে তার উদ্দেশ্য থাকে কিভাবে সেটি অনেক দৃষ্টিনন্দন হয় যাতে ক্রেতা বুঝতে পারে কাপের মাহত্ম। তাই নিছক সাধারন বস্তু কাপটি আর সাধারন থাকে না। অনেক বড় স্টার হয়ে যায় কোন এক ফটোগ্রাফারের কেরামতিতে। এভাবেই আমাদের পুঁজিবাদি সমাজব্যবস্থা চলছে। এই সমাজে বাস করে কোন বস্তু ফটোগ্রাফিকে তাই আমার শুধুই বস্তুর ছবি মনে হয় না। বস্তুর ছবি এখন সুচিন্তিত বাজার বিপণনের অনেক বড় হাতিয়ার।
আমি একজন ফটোগ্রাফার। আমি কোন বিষয়বস্তুর ছবি চিন্তা না করে তুলি না। অনেক চিন্তা করেই তুলতে হয় ছবি।

Cornea 2009 Total and the Longest full solar eclipse. Captured from Rangalirbash village of Nageshwari Upozilla at Kurigram District, Bangladesh. Rangalirbash is my own village.

On the begenning of forming the Diamond Ring 2009.

Beginning of Diamon Ring, Phase two. 2009

Begenning of teh solar eclipse: Cloud and Blue Sky, Captured from my village.

During the Solar Eclipse 2009 from my village.

Right before the Full Eclipse 2009.

This clouds I captured from the village Nowdabash of Fulbari Upozilla of Kurigram Distrcit, Bangladesh. This is my Grand Mother’s (Mother) village.
Enjoy!
Photos were taken from my village Rangalirbas of Nageshwari Upozilla from District of Kurigram, Bangladesh. Equipment I used was a Canon 5D MarkII Camera with a 70-200mm Canon IS Lseries lens. Used a professional Menfrotto Tripod.
Wikipedia has published my photos for their documentation and also this photos were published in my Facebook account (http://www.facebook.com/nirjhar). I am now uploading the high res version to my flickr account (http://www.flickr.com/photos/lrnirjhar).
So far I know no one got a clear of eclipse due to cloud. I was lucky! If you need any picture of mine for your publication you may contact me directly.
Happy Solar Eclipse!
I used to be a Panacea and now I am drowning. May be I am searching something or I just don’t want to do something but my pain is killing me with every single bit of my heart. Can’t stay at home nor leave it.

Should I pray? To whom?
I took this photograph about 3years ago in my village. I found this photo after years in my old hard disk. I am really lucky! Yes I am! I am loving this photo. This was taken with a a Nikon D40 with 55mm lens. I have already posted this in my Flickr.

ছোটবেলায় পাঠ্য বইয়ের একটা বিষয় ছিল সামাজিক বিজ্ঞান। সেখানে পরিবারের সংজ্ঞা ছিল। সেটা আমাদের শিক্ষক মুখস্ত করিয়ে নিতেন। কিছুই বুঝি নি। একটু বড় হয়ে গেলে বাবা-মা জোর করে পাঠিয়ে দিলেন স্কুলের হোস্টেলে তাই আবারো পরিবার ছাড়া। ঐ পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা আর ঘুচলো না। বড় হতে থাকলাম পরিবার ছাড়া। মানে যে পরিবারের সংজ্ঞা আমার বাল্যবইয়ে ছিল “আমাদের বাবা-মা, ভাই-বোন, দাদা-দাদী, চাচা-চাচি সবাইকে নিয়ে আমাদের পরিবার।” বাল্যকালের শিক্ষা! না বুঝতে শেখা পরিবার!
ছবিটা আমার বাড়ি থেকে তোলা। ২বছুর আগে সম্ভবত (বা তিন)। আমার ফ্লিকারে পোস্ট করেছি।
www.nirjhar.com
ছবির পাখিটা অনেক বেশী পরিচিত সবার কাছে। একজন নিকটজনদের মতোন এই পাখি। যদিও ঢাকায় এর দেখা মেলে না। ইটের বস্তিতে এরা থাকে না।
আমার মা এই পাখিকে ডাকেন ক্যাচকেচি পাখি। তার কাছ থেকে আমিও এটা শিখেছি।
ছবিটা জাহাঙ্গীরনগর থেকে তোলা। আমার ফ্লিকারে পোস্ট করেছি।
www.nirjhar.com
I took this shot from Jahangir Nagar University Campus, in TSC area. This tree was a Banyan Tree. This bird with his folks was dancing over the branches of that tree. The number of birds was some hundreds. They were eating the fruits of the tree. And they looked very happy (may be the meal was really delicious) while they’re singing and dancing.
পাখিটার বাংলা নাম ভুলে গেছি। সুন্দর একটা নাম আছে। কেউ্ দয়াকরে আপডেট করে দিন। আমার পাখি বিষয়ক জ্ঞান অনেক কম। এই ছবিটাও আমার ফ্লিকারে আপলোড করেছি।
www.nirjhar.com
বরাবরের মতোন এই ছবিটাও তুলেছি জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে। আসলে আমি অনেক বেশী ছবি তুলেছি সেখানে।
এখনো আমার কাছে র ফরম্যাটে ছবি জমে আছে ৫০০০এরও বেশি। এখন প্রতিদিন একটা দু’টা করে ঠিক করছি প্রতিদিন।
এই ছবিটা আমার পছন্দ। ডেফ্ত অব ফিল্ড অনেক ইন্টারেস্টিং। ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার তাই আরো মজার।
পাখিটার নাম কসাই পাখি (অনেকে একে মাংস চোর হিসেবে চেনে)। এর ইংরেজি নাম আমি জানি না। কেউ দযা করে জানান।
এই ছবিটা আমার ফ্লিকারে আছে। অনেক হাই রেজুলেশনেই আছে। মন্তব্য করতে ভুলবেন না প্লিজ।
আজ আর কিছু লিখব না।
সবাইকে অনেক অনেক অনেক শুভেচ্ছা। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। আবার দেখা হবে একই ব্লগে একই সময়ে। আমার ব্লগের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। শুভ রাত্রি।
লুৎফর রমান নির্ঝর www.nirjahr.com
আজ হঠাৎ মনে পড়ল পেইজফ্লেক্সের কম্প্যাক্ট ফ্রেমওয়ার্কের কথা। সেই ব্যবহার করে আমি আজকে আপনাদের আমার ছবি দেখালাম। দেখুন কেমন হলো।
আমার গতকাল পর্যন্ত পোস্ট করা সব ছবি আছে এতে। ভালো থাকুন সবাই।
For your information I was the QA Engineer and Country Manager for Pageflakes.
ছবিটা তুলেছিলাম জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে। ট্রাইপড ব্যবহার করেছিলাম। অনেক আগের তোলা।
অনেকদিন পরে আমার ফ্লিকারে পোস্ট করলাম।