Lutfar Rahman Nirjhar's Blog | ..!

আমি জানি না নাড়ার আগুন বিষয়টি সবাই এখনো মনে রেখেছেন কিনা! কিন্তু আমি অনেক কিছু অনুভব করছি এখন। অনেক দিন পর কবিতাটি পড়লাম। আমি ধন্য: আমি গ্রামে বড় হয়েছি।

তুমি যাবে ভাই যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়

গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;

মায়া মমতায় জড়াজড়ি করি

মোর গেহখানি রহিয়াছে ভরি,

মায়ের বুকেতে, বোনের আদরে, ভায়ের স্নেহের ছায়,

তুমি যাবে ভাই- যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়।

 

ছোট গাঁওখানি- ছোট নদী চলে, তারি একপাশ দিয়া,

কালো জল তার মাজিয়াছে কেবা কাকের চক্ষু নিয়া।

ঘাটের কিনারে আছে বাঁধা তরী,

পারের খবর টানাটানি করি-

বিনাসূতি মালা গাঁথিছে নিতুই এপার ওপার দিয়া;

বাঁকা ফাঁদ পেতে টানিয়া আনিছে দুইটি তীরের হিয়া।

 

তুমি যাবে ভাই, যাবে মোর সাথে- নরম ঘাসের পাতে,

চুম্বন রাখি অম্বরখানিরে মেজে লয়ো নিরালাতে।

তেলাকুচ-লতা গলায় পরিয়া

মেঠো ফুলে নিও আঁচল ভরিয়া,

হেথায় সেথায় ভাব করো তুমি বুনো পাখিদের সাথে,

তোমার পায়ের রঙখানি তুমি দেখিবে তাদের পাতে।

 

তুমি যদি যাও আমাদের গাঁয়ে, তোমারে সঙ্গ করি

নদীর ওপারে চলে যাই তবে লইয়া ঘাটের তরী

মাঠের যত না রাখাল ডাকিয়া,

তব সনে দেই মিতালি করিয়া,

ঢেলা কুড়াইয়া গড়ি ইমারত সারা দিনমান ধরি

সত্যিকারের নগর ভুলিয়া নকল নগর গড়ি।

 

তুমি যদি যাও – দেখিবে সেখানে মটর-লতার সনে,

সীম-আর-সীম হাত বাড়ালেই মুঠি ভরে সেইখানে।

তুমি যদি যাও সে-সব কুড়ায়ে,

নাড়ার আগুনে পোড়ায়ে পোড়ায়ে,

খাব আর যত গেঁয়ো চাষিদের ডাকিয়া নিমন্ত্রণে,

হাসিয়া হাসিয়া মুঠি মুঠি তাহা বিলাইব জনে জনে।

 

তুমি যদি যাও- শামুক কুড়ায়ে, খুব-খুব বড় করে

এমন একটি গাঁথিব মালা যা দেখনি কাহারো করে;

কারেও দেব না, তুমি যদি চাও

মনের খুশিতে দিয়ে দেব তাও,

গলায় পরিবে ঝুমঝুম রবে পথেরে মুখর করে,

হাসিব খেলিব গাহিব নাচিব সারাটি গেরাম ভরে।

· ·

জীবনানন্দ দাশের এই কবিতাটি আমার অনেক পছন্দের। কিছুদিন আগে রাহুল আনন্দ আমাকে এর সুর করা রূপ শোনান। অনেক ভাল লেগেছিল। তাকে অনুরোধ করে শুনতে পারেন গান’টি।

কেউ যাহা জানে নাই কোনো একবানী –

আমি বহে আনি;

একদিন শুনেছ যে সুর –

ফুরায়েছে পুরনো তা — কোনো এক নতুন কিছুর

আছে প্রয়োজন,

তাই আমি আসিয়াছি, আমার মতন

আর নাই কেউ!

সৃষ্টির সিন্ধুর বুকে আমি এক ঢেউ

আজিকার: শেষ মুহুর্তের

আমি এক — সকলের পায়ের শব্দের

সুর গেছে অন্ধকারে থেমে;

তারপর আসিয়াছি নেমে

আমি;

আমার পায়ের শব্দ শোনো –

নতুন এ, আর সব হারানো — পুরনো।

উৎসবের কথা আমি কহি নাকো,

পড়ি নাকো দুর্দশার গান,

কে কবির প্রাণ

উৎসাহে উঠেছে শুধু ভরে –

সেই কবি — সেও যাবে সরে;

যে কবি পেয়েছে শুধু যন্ত্রণার বিষ

শুধু জেনেছে বিষাদ,

মাটির আর রক্তের কর্কশ স্বাদ,

যে বুঝেছে, প্রলাপের ঘোরে

যে বকেছে — সেও যাবে সরে;

একে একে সবই

ডুবে যাবে — উৎসবের কবি,

তবু বলিতে কি পারো

যাতনা পাবে না কেউ আরো?

যেইদিন তুমি যাবে চ’লে

পৃথিবী গাবে কি গান তোমার বইয়ের পাতা খুলে?

কিংবা যদি গায় — পৃথিবী যাবে কি তবু ভুলে

একদিন যেই ব্যথা ছিল সত্য তার?

আনন্দের আবর্তনে আজিকে আবার

সেদিনের পুরানো আঘাত

ভুলিবে সে? ব্যথা যারা সয়ে গেছে রাত্রি — দিন

তাহাদের আর্ত ডান হাত

ঘুম ভেঙে জানাবে নিষেধ;

সব ক্লেশ আনন্দের ভেদ

ভুল মনে হবে;

সৃষ্টির বুকের পরে ব্যথা লেগে রবে,

শয়তানের সুন্দর কপালে

পাপের ছাপের মতো সেইদিনও! –

মাঝরাতে মোম যারা জ্বালে,

রোগা পায়ে করে পাইচারি,

দেয়ালে যাদের ছায়া পড়ে সারি সারি

সৃষ্টির দেয়ালে –

আহ্লাদ কি পায় নাই তারা কোনোকালে?

যেই উড়ো উৎসাহেব উৎসবের রব

ভেসে আসে — তাই শুনে জাগে নি উৎসব?

তবে কেন বিহ্বলের গান

গায় তারা! — বলে কেন, আমাদের প্রাণ

পথের আহত

মাছিদের মতো!

উৎসবের কথা আমি কহি নাকো,

পড়ি নাকো ব্যর্থতার গান;

শুনি শুধু সৃষ্টির আহ্বান –

তাই আসি,

নানা কাজ তার

আমরা মিটায়ে যাই –

জাগিবার কাল আছে — দরকার আছে ঘুমাবার;

এই সচ্ছলতা

আমাদের;আকাশ কহিছে কোন্‌ কথা

নক্ষত্রের কানে?

আনন্দের? দুর্দশার? পড়ি নাকো। সৃষ্টির আহ্বানে

আসিয়াছি।

সময়সিন্ধুর মতো:

তুমিও আমার মতো সমুদ্রের পানে, জানি, রয়েছ তাকায়ে,

ঢেউয়ের হুঁচোট লাগে গায়ে

ঘুম ভেঙে যায় বার বার

তোমার — আমার!

জানি না তো কোন্‌ কথা কও তুমি ফেনার কাপড়ে বুক ঢেকে,

ওপারের থেকে;

সমুদ্রের কানে

কোন্‌ কথা কই আমি এই পারে — সে কি কিছু জানে?

আমিও তোমার মতো রাতের সিন্ধুর দিকে রয়েছি তাকায়ে,

ঢেউয়ের হুঁচোট লাগে গায়ে

ঘুম ভেঙে যায় বার বার

তোমার আমার!

কোথাও রয়েছ, জানি, তোমারে তবুও আমি ফেলেছি হারায়ে;

পথ চলি — ঢেউ ভেজে পায়ে;

রাতের বাতাস ভেসে আসে,

আকাশে আকাশে

নক্ষত্রের পরে

এই হাওয়া যেন হা হা করে!

হু হু করে ওঠে অন্ধকার!

কোন্‌ রাত্রি — আঁধারের পার

আজ সে খুঁজিছে!

কত রাত ঝরে গেছে — নিচে — তারও নিচে

কোন্‌ রাত — কোন্‌ অন্ধকার

একবার এসেছিল — আসিবে না আর।

তুমি এই রাতের বাতাস,

বাতাসের সিন্ধু — ঢেউ,

তোমার মতন কেউ

নাই আর!

অন্ধকার — নিঃসাড়তার

মাঝখানে

তুমি আনো প্রাণে

সমুদ্রের ভাষা

রুধিবে পিপাসা

যেতেছে জাগায়ে

ছেঁড়া দেহে — ব্যথিত মনের ঘায়ে

ঝরিতেছ জলের মতন –

রাতের বাতাস তুমি — বাতাসে সিন্ধু — ঢেউ,

তোমার মতন কেউ

নাই আর!

গান গায়, যেখানে সাগর তার জলের উল্লাসে,

সমুদ্রের হাওয়া ভেসে আসে,

যেখানে সমস্ত রাত ভ’রে,

নক্ষত্রের আলো পড়ে ঝ’রে

যেই খানে,

পৃথিবীর কানে

শস্য গায় গান,

সোনার মতন ধান

ফ’লে ওঠে যেইখানে –

একদিন — হয়তো — কে জানে

তুমি আর আমি

ঠান্ডা ফেনা ঝিনুকের মতো চুপে থামি

সেইখানে বর পড়ে!

যেখানে সমস্ত রাত্রি রক্ষত্রের আলো পড়ে ঝ’রে,

সমুদ্রের হাওয়া ভেসে আসে,

গান গায় সিন্ধু তার জলের উল্লাসে।

ঘুমাতে চাও কি তুমি?

অন্ধকারে ঘুমাতে কি চাই? –

ঢেউয়ের গানের শব্দ

সেখানে ফেনার গন্ধ নাই?

কেহ নাই — আঙুলের হাতের পরশ

সেইখানে নাই আর –

রূপ যেই স্বপ্ন আনে, স্বপ্নে বুকে জাগায় যে রস

সেইখানে নাই তাহা কিছু;

ঢেউয়ের গানের শব্দ

যেখানে ফেনার গন্ধ নাই –

ঘুমাতে চাও কি তুমি?

সেই অন্ধকারে আমি ঘুমাতে কি চাই!

তোমারে পাব কি আমি কোনোদিন? — নক্ষত্রের তলে

অনেক চলার পথ — সমুদ্রের জলে

গানের অনেক সুর — গানের অনেক সুর — বাজে –

ফুরাবে এ — সব, তবু…. তুমি যেই কাজে

ব্যস্ত আজ — ফুরাবে না জানি;

একদিন তবু তুমি তোমার আঁচলকানি

টেনে লবে; যেটুকু করার ছিল সেইদিন হয়ে গেছে শেষ,

আমার এ সমুদ্রের দেশ

হয়তো হয়েছে স্তব্ধ সেইদিন, — আমার এ নক্ষেত্রের রাত

হয়তো সরিয়া গেছে — তবু তুমি আসিবে হঠাৎ

গানের অনেক সুর — গানের অনেক সুর সমুদ্রের জলে,

অনেক চলার পথ নক্ষত্রের তলে!

আমার নিকট থেকে

তোমারে নিয়েছে কেটে কখন সময়!

চাঁদ জেগে রয়

তারা ভরা আকাশের তলে,

জীবন সবুজ হয়ে ফলে,

শিশিরের শব্দে গান গায়

অন্ধকার, আবেগ জানায়

রাতের বাতাস!

মাটি ধুলো কাজ করে — মাঠে মাঠে ঘাস

নিবিড় — গভীর হয়ে ফলে!

তারা ভরা আকাশের তলে

চাঁদ তার আকাঙ্খার স্থল খুঁজে লয় –

আমার নিকট থেকে তোমারে নিয়েছে কেটে যদিও সময়।

একদিন দিয়েছিলে যেই ভালোবাসা,

ভুলে গেছ আজ তার ভাষা!

জানি আমি, তাই

আমিও ভুলিয়া যেতে চাই

একদিন পেয়েছি যে ভালোবাসা

তার স্মৃতি আর তার ভাষা;

পৃথিবীতে যত ক্লান্তি আছে,

একবার কাছে এসে আসিতে চায় না আর কাছে

যে — মুহুর্তে;

একবার হয়ে গেছে, তাই যাহা গিয়েছে ফুরায়ে

একবার হেঁটেছে যে, তাই যার পায়ে

চলিবার শক্তি আর নাই;

সব চেয়ে শীত, তৃপ্ত তাই।

কেন আমি গান গাই?

কেন এই ভাষা

বলি আমি! এমন পিপাসা

বার বার কেন জাগে!

পড়ে আছে যতটা সময়

এমনি তো হয়।

· · · ·

_MG_7258_MG_3949রমনা বটমূলের ছায়ানট সকাল। 

_MG_1063_MG_4019

রংপুর থেকে আসা বাবা ও ছেলে 

 

 

 

_MG_4076 _MG_4081 IMG_3952_MG_4121  _MG_4181   _MG_4228 _MG_4249 _MG_4308 _MG_4309 _MG_4317 _MG_4318  _MG_1130_MG_1137_MG_4217   _MG_4138 _MG_4156 _MG_4482  _MG_4543 _MG_4555 _MG_4339 _MG_4353

ভোর ৫টা থেকে ক্লান্তিহীন ছবি তুলেছি। এখন আপলোড করলাম রাত ৩টায়। আর কতো। এবার ঘুম… । আর হ্যা… শুভ নববর্ষ!

· · · · · · · · · ·

বিকেলবেলা কনক আদিত্যকে ফোন করলাম। জানালেন চারুকলায় আসতে: চৈত্র সংক্রান্তির অনুষ্ঠান আছে। গেলাম বকুল তলায়। আর মুগ্ধ হয়ে গান শুনলাম প্রাচ্যনাটের।

_MG_0970 _MG_0974 _MG_1002 _MG_1020 _MG_1025 _MG_1026  _MG_1031  _MG_1035 _MG_3890 _MG_3905_MG_3891  _MG_3910 _MG_3918

বড় করে ছবি পোস্ট করার ইচ্ছা ছিল। অনেক ছবি তাই ছোট করে দিলাম।

· · · · · · · · · · · ·

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির শপিংমলে গতকাল শনিবার বিকেলে দেশালের পঞ্চম বর্ষপূর্তি উদ্যাপন করা হয়। কিশোরগঞ্জের দশরথ চন্দ্র মণিদাশের ঢোলের তালে তালে দেশীদশের অন্যতম প্রতিষ্ঠান নিপুণ প্রাইভেট লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুর রহমান, অঞ্জনসের প্রধান নির্বাহী শাহীন আহমেদ, কে-ক্রাফটের খালিদ মাহমুদ, সাদাকালোর নির্বাহী পরিচালক তাহসিনা শাহিন, বিবিয়ানার স্বত্বাধিকারী লিপি খন্দকার এবং হাসিবুল হাসান তন্ময়, বাংলার মেলার পরিচালক আবু মোহাম্মদ মতিউজ্জামান, নগরদোলার প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আলী আফজাল, প্রবর্তনার প্রধান নির্বাহী শাহীন হোসেন শামীম এবং দেশালের তরুণ ও উদ্যমী কর্ণধার সবুজ সিদ্দিকী, কনক আদিত্য ও ইরশাদ জাহান প্রদীপ জ্বালিয়ে পঞ্চম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন।

_MG_3603_MG_3612

দেশালের নামকরন শাওন আকন্দের এবং তিনি’ই উপস্থাপনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন অনুষ্ঠানের। দু’লাইন লালনের গান গেয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন দেশালের ব্যবসায়ীক অংশীদার কনক আদিত্য।

_MG_3601 _MG_3602

_MG_0800_MG_0834 _MG_0840 _MG_0845 _MG_0948 _MG_3718

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষন ছিল সিরাজ উদ্দীনের পালা। পুরো হলঘরের সবাই হাসতে হাসতে গড়াগড়ি। শুভ জন্মদিন দেশাল।

· · · · ·

Apr/10

10

My Sister’s Keeper (film)

My_sisters_keeper_poster

অনেক দিন পর একটা প্রথম শ্রেণীর ভালো সিনেমা দেখলাম। মনটা খারাপ। অনেক খারাপ হয়ে গেল। এখন আর লিখব না। কালকে ডিটেইল লিখব।

· · · · · · · · · · · · · · ·

Apr/10

1

Cross-Fire

Today at South Asian Media Academy (Pathshala) a press conference was held by Shahidul Alam, the renowned photographer and the principal of Pathshala who was threatened by unknown young man during the exhibtion Crossfire. On the inauguration of South Asian Media Academy Alam’s exhibition of None Judicial Murder CROSSFIRE was exhibited and law and enforcement team stopped that exhibition.

_MG_0489 

During the exhibition one young man (looks like a RAB soldier who has short hair and well build body as per guards and Shahidul Alam’s description) came to Drik and threatened Alam to kill him if he exhibit those photos. 

IMG_0526

At the press conference Alam told to the journalists that if someone threatened a citizen in front of the police in daylight that is really shameful for our system. And after this threat he is forced to ride in a Microbus instead of the bi-cycle.

IMG_0532

Today Government lawyers confirmed this morning to the Vacation Bench of the High Court today that the police deployed in front of the DRIK Gallery had been withdrawn and that there would be no obstruction to the exhibition from now on.

· · · · · · ·

Mar/10

31

অনেক দিন পর…

_MG_0443

অনেক দিন পর আনিসুল হকের সাথে দেখা। গতকাল ছবিটি তুলেছিলাম প্রথম আলোতে।

· · · · ·

My class teacher gave an assignment on environmental portraiture. He suggested us to pick a subject for the next 3month. I chose Global Warming and Impacts. Here is the first three photos of my project.

Akbar Ali Kurigram

This is Akbar Ali who is a Rickshaw Puller from Kurigram. The water level of Brahmaputra River during rainy season is increasing harmonically every year. And destruction by the river is massive now a day. People are losing their lands and become poor. He is one of them.

 

 

Rahman_Kurigram_Riksha

Rahman, Rickshaw Puller, Kurigram. Victim. He used be a Boatman. Now the river is too big to carry people with a manual boat. Big boys implemented machine boat their for ferry. He lost his job.

 

 

Younus_Ali_Kurigram_Riksha

Younus Ali, Rickshaw Puller, Kurigram. victim. River damaged his lands.

· · · · · ·