Posts Tagged ‘friends’

16
Dec

One Dish Party (!) 16 December 08

   Posted by: Nirjhar   in FnF, Party

Post Update:

Dear Readers,

In a response of some permission issues, I had to remove the photographs. Sorry for the inconvenience.

It is true and pathetic to become a Nerd. Yea this nerdy atmosphere which I had created in my entire career is nothing but a unsocial one. So being social (or trying to be) is a bad idea for me. I am not fit for this society. Well this is an Statement. I mean it.

clip_image005

The Food … waits ….

১৯৯৯ সাল থেকে ভার্চুয়াল ভূবনের বাসিন্দা। ক্রমবর্ধমান বসবাসের কারণে এখন আমি মনে হয় পুরাপুরি ভার্চুয়াল হয়ে গেছি। পেশাগত কারণে মোটামুটি ১২ঘন্টা অনলাইনে থাকতে হয়। বাকী আরো ৩/৪ ঘন্টা কাটাই নিজের জন্য। খারাপ নয়। অবাস্তবতার কামলা খেটে চলি।

প্রতিদিন শত মুখের কথা শুনছি। শত হাসি, অশ্রু বা হাহাকার আমার মনিটরে ভেসে আসে। আমি মুগ্ধ দর্শকের মতোন মোহাচ্ছন্ন হয়ে মানুষের জীবনযাত্রা দেখি। নতুন যাদের সাথে পরিচয় হয়, তারা পরের বার থেকে সব সময়’ই জিজ্ঞেস করেন, “ভালো আছেন?”। আমি বলি হ্যা। আপনি কেমন আছেন? আরে ভাই আমি কেমন করে ব্যাখ্যা করি যে আমার খারাপ থাকার কোন পথই খোলা নাই। তাই বাধ্য হয়ে ভালো থাকি!

এই আমার দেয়ালে পিঠ ঠেকা অবস্থা তার মধ্যেও অনেকে কষ্ট দেয়ার চেষ্টা করে। অবাক হয়ে যাই। কেন বোঝে না যে আমাকে কোন ভাবেই কষ্ট দেয়া যায় না। কারণ আমার কষ্ট পাওয়ারো কোন পথ অবশিষ্ট নেই।

আমি অনেক সুখী একটা মানুষ। যেদিন থেকে আমার দুঃখ বিলাসিতা বন্ধ করে দিয়েছি, আমি অনেক সুখী। তাই হে বান্ধবসকল: অকারণে, অজান্তে বা কষ্টের উদ্রেক করতে যদি আমাকে বেদনার বিষবাষ্প দেখাতে চান দয়াকরে তফাতে থাকুন। আমার এ পথ তোমার থেকে অনেকটাই দূরে। কিন্তু এ পথটা এখনো বেঁকে যায় নি। আমার পথ অনেক সরল এবং মসৃণ।

সারারাত ঘুমিয়ে কাটিয়েছি অনেকটা না ঘুমিয়েই। রাতের কথা আমি হয়তো অনেক বেশী’ই বলি; রাতগুলো অনেক বেশী অর্থবহ। বিনিদ্রজনেরা আমার আকুতি’র বিষয়টা অনেক সহজেই বুঝে যাবেন। কিন্তু যারা বিনিদ্র নয় তাদের স্বপ্নাতুর করার একটু ছো্ট্ট বাসনা।

DSC_0463অনেকগুলো সকালের মতোন আজকেও সকাল হলো একটা। সাভাবিক একটা সকাল। সাভাবিক তাপমাত্রা।  চিরচেনা আমার চারপাশ। তবুও মনে মনে বললাম ‘আজ সকালটা অন্যভাবে শুরু হোক’। বুঝতে পারছি বুকভরা ভালোবাসা, বুকভরা কান্না অনেকদিন থেকে জমা হয়ে আছে। কিন্তু কার জন্য, কাহার জন্য বুঝতে পারি না। অনেক কিছু করার কথা ছিল, অনেক বেশী প্রতিশ্রুতি ছিল, কিছুই হয় নি। আজকে ঠিক করলাম বুকের ভালোবাসাগুলো সব বিলিয়ে দিব আর কষ্টগুলো আমার ব্লগে লিখে ফেলব ধীরে ধীরে। যেহেতু আজকের সকালটা শুধুই ভালোবাসার তাই ঠিক করেছি একবুক ভালোবাসা দিয়ে আমার অসমাপ্ত অন্তত একটা কাজ আজ শুরু করব।

আমি বড় হয়েছি ১০০ভাগ গ্রামে। আমার চারপাশটা ঠিক বৈষয়িক নয়; কিছুটা সরল কিছুটা প্রাকৃতিক ছিল। আমাদের গ্রামটি ছিল ছবির মতোন। সেই ছবির মতোন গ্রামে আমার বন্ধুরা, আমি বড় হতে থাকলাম। বন্ধুরা বড় হতে থাকলো পরিকল্পণাহীন কোন উদ্যানের গাছের মতোন। সময় চলে গেল, সময় চলেই যায়। দীর্ঘ ১৬বছর পর ফিরে তাকালাম আজকে সকালে। আমার চিরচেনা ছেলেবেলা, আমার দুরন্তপনা’র ডায়েরি সব কিছুই ধারাবাহিক আর্তনাদ করে উঠল। যে অরণ্যের স্বপ্ন দেখতাম একদল দুরন্ত কিশলয় তারা আজ ভূমিহীন বৃক্ষ। তাদের শেকড় রাখার স্থান নেই। আমার বন্ধুরা তোমরা এই দীর্ঘ ব্যবচ্ছেদকে ক্ষমা করো। শিকড়ের সন্ধান করতে বড্ড দেরী হয়ে গেল!

আজ আমি ঠিক করলাম আমার শৈশবের বন্ধুদের জন্য কিছু করব।

আমি প্রায় ৫বছর পর আমার ভার্সিটি’র ৪জন বান্ধবীর খোঁজ পেলাম। এমি তোকে অনেক অনেক ধন্যবাদ দোস্ত। আমরা ছিলাম ভার্সিটির পারফর্মিং আর্ট ক্লাবের সদস্য। আমি পড়তাম কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ আর ওরা বিবিএ তে।

সবাইকে খুঁজে পেলাম ফেসবুকে। ধন্যবাদ ফেসবুক। একদিনে অনেক অনেক স্মৃতি মাথার ভিতরে স্ক্রীন সেভারের মতোন চলছে। হায়রে সময়। কখন যে কোন খেলা দেখায়!

দোস্তরা, আমার ভালোবাসা তোদের জন্য। ইমা তোর ছেলেটাকে আমি আজকেই দেখতে যাব। অনেক মিস করেছি তোকে। ভালো আছিস তো?

Page 1 of 11