Posts Tagged ‘island’

অনেক দিন কিছু লিখি নাই। আজকে চেষ্টা করছি। দেখা যাক!

একটু আগ পর্যন্ত একটা হিন্দি সিনেমা দেখছিলাম “ওয়েক আপ সিড”। ভালো লাগল। অনেক দিন পর দেখা কোন হিন্দি সিনেমা। একটা বিত্তবান পরিবারের ছেলের বড় হয়ে ওঠার গল্প। মুম্বাইয়ের হাই সোসাইটি’র কচকচানি। খারাপ না। অবশ্য খোঁজ নেয়া দরকার এটা কোন ফিল্মের কপি। আমি বিশ্বাস করি না ইন্ডিয়ানদের মাথা থেকে এই আইডিয়া এসেছে। ইন্ডিয়া আর চায়না একই জাতি আসলে। একজন কপি করে প্রডাক্ট আর একজন আইডিয়া। Copied Ideas Changed their Life.

এখন আমি শুয়ে শুয়ে লিখছি বসার ঘরে। ঘুমাতে হবে। সকালে আমার মায়ের পাঠানো খাবার আনতে যেতে হবে শ্যামলী বাস কাউন্টার। অনেক আগে ঘুমাতে যাওয়ার কথা ছিল। হলো না। আমি এমনই। ৫ডিসেম্বর থেকে পাঠশালা (South Asian Institute of Photography) খোলা। সুতরাং আবারো ক্লাস। ক্লাশ খুলেই এসাইনমেন্ট জমা; বিষয় আত্মপ্রতিকৃতি। আমার সেল্ফ পোর্ট্রেট এখানে দিয়ে দিলাম।16149_188661061500_693881500_3465939_2545560_n

ছবিটি কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলা’র নুনখাওয়ার চর থেকে তোলা। এই ছবির এসিসট্যান্ট হিসেবে সহায়তা করেছেন ফটোগ্রাফার কার্লোস কাজালিস। এবার ওয়ার্ল্ডপ্রেস প্রথম পুরষ্কার জেতা এই ম্যাক্সিকান ফটোগ্রাফার সহ কুড়িগ্রামে ছবি তুলতে গিয়েছিলাম।

সেইন্ট মার্টিন থেকে ঘুড়ি উৎসব শেষ করে ফেরার পরও সবার মধ্যে একটা উৎসবের রেশ। এই রেশ কাটাতেই আবার একটা ঘুড়ি উৎসবের পরিকল্পণা। এবারের স্থান ঢাকার কাছের মাওয়া। যেখানে আছে পদ্মা নদী। পদ্মার চরে আছে পদ্মা রিসোর্ট। সেই রিসোর্টে আমরা রওনা হলাম ২১মার্চ, ২০০৮।

padda resort

পদ্মা রিসোর্টের সামনের অংশ।

ছবিটি তুলেছিলাম হাটতে হাটতে।

মাওয়া পর্যন্ত গেলাম রিতিমতোন লক্কর ঝক্কর মার্কা একটা বাসে। তবে আমাদের সাথের মানুষগুলো খুব বেশী রঙিন। তাই বাসটির করুণতা কোন অংশেই গুরুত্ব পেল না। আমরা গাইতে গাইতে মাওয়া পৌছে গেলাম। সেখান থেকে ৫মিনিটের নোটিশে পদ্মার চর তথা পদ্মা রিসোর্ট।

চরে নেমেই মনটা ভালো হয়ে গেল। অনেক উজ্জ্বল একটি দিন ছিল। আকাশে ভাবুক ভাবুক উড়ু উড়ু মেঘ। নির্মল বাতাস। এতটাই নির্মল যে আমি সমীরন (যখন কোন বাতাস খুব বেশী প্রশান্তি দেয় আমি তাকে সমীরন বলি) বললাম। চরটির মধ্যে এক ধরনের বিস্তৃর্ণতা আছে। যেদিকেই তাকাই একটা হালকা সবুজাভ আচ্ছাদন। তার মাঝে কোথাও একটু একটু তাবু (রঙিন তাবু)। সবাই নানা রঙের ঘুড়ি উড়াতে ব্যস্ত।

আমি আসলে মুগ্ধ রিসোর্ট দেখে। অনেক শান্তি দিল আমাকে। সবুজের মাঝে কাঠ ও খর দিয়ে বানানো ভয়ঙ্কর সুন্দর কিছু থাকার জায়গা। আছে সুন্দর খাবারের দোকান। যে কেউ চোখ বন্ধ করে পছন্দ করবে।

padda resort-inside

রিসোর্টর ভিতরের অংশ। এই রকম ঘাসের আচ্ছাদন পাওয়া যাবে পুরো রিসোর্টে। ঘরগুলি সব দোতলা। কাঠ দিয়ে তৈরি।

ছবিটি তুলেছি খাবারের ঘরের সিঁড়ি থেকে।

আমরা সারাদিন অনেক ঘোরাঘুরি করলাম। ফুটবল, ঘুড়ি, ক্রিকেট সব হয়ে গেল। দুপুরে খেলাম খোলা আকশের নীচে। লাইভ ইলিশ ভাজা, ইলিশের ঝোল আর সব্জি। ছড়ালাম অনেক ভাত। যেহেতু ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না, তাই চলে আসল হাজারো কাক। তবে ঢাকার কাকের মতোন সেই কাক আমার খারাপ লাগল না; উল্টো ভালো লাগল।

দিন শেষে রাত নামল। আমাদের যাওয়ার ডাক এল। সবাইকে যেতে হয়। তারপর আবার সেই যানজট, আবার সেই ধোঁওয়া, আবার সেই মিথ্যে কথার শহরে। ইটের পর ইট শুধু স্বপ্ন গুলো আন ফিট। এই শহরে রাতের আকাশে তারা দেখা যায় না। বড় কষ্ট লাগে।

9
Jun

My favorite one

   Posted by: Nirjhar   in flickr, photography, বেড়ানো

what is missing....

I took this photo from the Padma resort of Mawa, Dhaka. I really enjoyed that trip.

ছবিটা ঘুড়ি উৎসব থেকে তোলা। আমরা সবাই ঘুড়ি উড়াতে গেছিলাম। সারাদিন অনেক মজা করেছি। ছবিটা আমার ফ্লিকারে আপলোড করেছি আজকে। ওখান থেকেই লিংক করে দিলাম।

কয়েকদিন আগে ঘুরে এলাম সেন্ট মার্টিন থেকে। গেছিলাম ঘুড়ি উৎসবে। অনেক মজা হয়েছে। পরের পোস্টে আমি বিষদ লিখব। এখন আপাতত একটা ছবি। সেইন্ট মার্টিনে তোলা।

Saint Martin Island Beach

খারাপ লাগছে খুবি। মিস করছি দ্বীপটাকে। অনেক অনেক।

Page 1 of 11