Post Update:
Dear Readers,
In a response of some permission issues, I had to remove the photographs. Sorry for the inconvenience.
It is true and pathetic to become a Nerd. Yea this nerdy atmosphere which I had created in my entire career is nothing but a unsocial one. So being social (or trying to be) is a bad idea for me. I am not fit for this society. Well this is an Statement. I mean it.

The Food … waits ….
দ্বিতীয় পর্ব:
ডিসেম্বরের ১০তারিখে কুড়িগ্রামের শীত ভয়ঙ্কর। হাড় কাঁপানো শীত। আমি ফুপার বাসা থেকে যখন রেডি হচ্ছি আমার কাজিন বলল গোসল করতে। আমি বললাম এই শীতে গোসল করতে ইচ্ছা করছে না। সে ভয়ঙ্কর রেগে গেল। বাধ্য হয়ে প্রচন্ড ঠান্ডায় ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে হলো। অনেক কাল পরে ঠান্ডা পানিতে গোসল। অনেক আদরে বড় হয়েছিলাম। কখনো ঠান্ডা পানির অনুভূতি শীতকালে হয়নি। হয়ে গেল। অনাকাঙ্খিত বিয়ের কোন ভাব মাথায় নেই। মাথায় রয়ে গেল প্রচন্ড শীতের অনুভূতি। শীতল অবস্থা। আমাদের বিয়ের ট্রেডিশনাল পোশাক পাঞ্জাবি। আমি এটা সার্ট এবং জিন্স চাপিয়ে রওনা দিলাম। কোন কষ্ট হলো না। এই কষ্ট হলো ২০০৭ সালে।
২০০৭ সালে আমার বন্ধু এবং কলিগ অনিক রায়হানের বিয়েতে গেলাম। প্রথম বারের মতোন কোন বিয়েতে যাওয়া। আমি মোটামুটি মানের অসামাজিক মানুষ। কখনো কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে যাওয়া হয় না। ইচ্ছাও করেনা। মানুষ দেখতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু এইসব অনুষ্ঠানে মানুষের বৈচিত্র কম। একি রকমের মানুষ। দেখতে ভালো লাগে না। আমার এই না ভালো লাগা মন নিয়ে আমি অনীকের গায়ে হলুদে গেলাম। অনেক মজার অনুষ্ঠান। গায়ে হলুদ যে এতো মজার প্রগ্রাম আমি জানতাম না। আমার কলিগ মৌলি বলল গায়ে হলুদই নাকি সবচেয়ে মজার অনুষ্ঠান বিয়েতে। সেদিনের সেই মন ভালো করার একটা দিনে হঠাৎ হুহু করে উঠলাম। আহারে! আমার জীবনে কোন গায়ে হলুদ হয় নি। আমার বৌয়ের জন্যও খারাপ লাগল। সে তো আমার মতোন এবনরমাল নয়। স্বাভাবিক একটা মানুষ! তার চাওয়া পাওয়ার মধ্যে নিশ্চই গায়ে হলুদ ছিল, বাসর ছিল!
ছবিটা আমার বিয়ের আগের। শুকনা ছিলাম অনেক!
আমার বাবার নাম নজরুল ইসলাম। কুড়িগ্রামে সবাই তাকে এক নামেই জানে: নজরুল চেয়ারম্যান। অনেক প্রভাবশালী একজন মানুষ। ভালো মানুষ। তার একমাত্র ছেলে আমি। সেই প্রভাবশালী, বিত্তবান পরিবারের একমাত্র ছেলে আমি বিয়ে করতে যাচ্ছি তার ম্যানেজার আর কাজিনদের সাথে নিয়ে, মোটর সাইকেলে করে। এই বিষয়টা আমাকে ভাবায় নি! কিন্তু আমার মা প্রচন্ড কষ্ট পেলেন। মা অনেক কষ্টে বলেছিলেন “ওরা কি একটা পাঞ্জাবিও কিনে আনতে পারে নাই!” এই দুঃখে মা দীর্ঘকাল ওই ফুপুর বাড়িতে যান নাই। আমি এখন চিন্তা করি সেদিনটার কথা! বড় অস্থির একটা দিন ছিল! আমার জন্য অনুভূতিহীন, পরিবারের জন্য শোকের দিন! সেই শোকাহত পরিবারের কাছ থেকে পাঞ্জাবি আশা করাটা যে অযৌক্তিক এটা মা’কে বুঝাবে কে!
২০০২ এর ১০ ডিসেম্বর আমার বিয়ের পর পরই আমি ঢাকা চলে আসি। পর পর মানে তৎক্ষণাৎ। আমার বিবাহিতা স্ত্রীর সাথে আমাকে দেখা করতেও দেয়া হলো না। আমি ঢাকায় এসে বন্ধুদের বললাম বিয়ে করেছি। কেউ পাত্তা দিল না। পাত্তা দেয়ার কথা না। ওরা বাংলা সিনেমা দেখে না। বাংলা সিনেমা হজম করার সামর্থ ওদের নেই।
(চলবে…….)
শিরোনাম দেখে অবার হওয়ার কিছু নেই। গত মাসে হঠাৎ আবিষ্কার করলাম আমার ওজন খুব বেড়ে গেছে। নিজের শরীরের ওজন বহন করতে পারছি না, হাপিয়ে যাচ্ছি। মহা ঝামেলার কথা! আমি এক রকম আতঙ্কিত হয়ে খুব ভোরে শিপলু ভাইকে (সাফকাত আহমেদ) ফোন করলাম। ঘুম ভাঙা গলায় শিপলু ভাই আমাকে আশ্বস্ত করলেন যে বুদ্ধি আছে। আর না করেই যাবে কোথায়! এসবের জন্য উনিই দায়ী!

(এই ছবিটা শিপলু ভাইয়ের ফ্লিকার থেকে নিলাম। ওনার ফ্লিকারে শুধু খাবার দাবার)
শিপলু ভাইয়ের সাথে প্রথম দেখা ২০০৬ সালে। কিন্তু তার আগ থেকেই জানি ওনাকে। আমার বন্ধু রবিন অনেক বলেছে ওনার কথা। রবিনের ভাষায় ‘শিপলু ভাই খাই-দাই পাবলিক। ধর তোর মন খারাপ: শিপলু ভাই তোকে মন ভালো করার খাবার খাওয়াবে। কিংবা মন ভালো; তো খাওয়াবে অন্য ধরনের খাবার।’ তো এই হলেন আমার না দেখা শিপলু ভাই। ২০০৬ এর জুনে যখন পেইজফ্লেক্স এ জয়েন করলাম, তখন প্রথম দেখা হলো কলিগ হিসেবে। বিশাল চেহারা এবং শান্ত। সব সময় হাসিখুশি। দেখা হওয়ার প্রথম দিনেই উনি সবাইকে খাওয়ালেন।
আমরা যখন ঢাকায় অফিস নিলাম, তখন তার মুখে সব সময় খাওয়া দাওয়ার গল্প। এবং এক সময় আবিষ্কার করলাম খাওয়া দাওয়া বিষয়টা আসলে খুব খারাপ নয়। এই আবিষ্কারের আগে আমার চেহারাটা মোটামুটি শুকনাই ছিল। এ্রর পর শুরু হলো অঘটন। আস্তে আস্তে ফুলতে থাকলাম। ঢাকা শহরের এমন কোন রেস্টুরেন্ট নাই যেটায় যাওয়া হলো না। খা্ওয়া আর খাওয়া! এটা মোটামুটি মুটিয়ে যাওয়ার ইতিহাস; এখন বর্তমানটা শুরু করি!
শিপলু ভাই আমাকে যে জ্ঞান দিলেন তা হলো Glycemic index রিলেটেড। আমি এখানে লিংক টা দিচ্ছে উইকিপেডিয়া থেকে Glycemic_index. আমার জ্ঞানের সারাংশটা অনেক ভয়াবহ; আমার প্রিয় সব খাবার বাদ দিতে হলো। কারন সাদা ভাত, রুটি সবগুলারি ইন্ডেক্স মান অনেক বেশী। সুতরাং আমার ভাত ছাড়তে হইল। তো আমি কি খাওয়া শুরু করলাম?
অবশ্যই পোলাও নয়! (হা হা হা হা) আমি সব্জি খাওয়া শুরু করলাম। খারাপ নয়। এবং সাথে লাল আটার রুটি। বেশ মানিয়ে নিলাম। সব্জিতে কিন্তু আলো থাকা চলবে না। নো কার্বহাইড্রেট।
গতকাল ছিল টমি মিয়ার ফেস্টিভাল। গেলাম চীন মৈত্রি সম্মেলন সেন্টারে। ফাহমিদা আপার সাথে (ফাহমিদা নবী)। সেখানে গিয়ে খেলাম পোলাও। তেব মাত্র ছেট্ট এক চামচ। বাকীটুকু সব্জি এবং সালাদ আর সামান্য মাংস। ইচ্ছে করেই খেতে পারি নি। টমি মিয়ার খাবার জঘন্য। ওই লোক রান্না করা ছেড়ে দিলেই পারে। তবে অনেকদিন পরে ভাতের স্বাদ, খারাপ নয়। যারা যারা মোটা হচ্ছেন এই বুদ্ধি নিতে পারেন। যা করতে হবেঃ
১. নো মোর রেস্টুরেন্ট।
২. নো মোর সাদা ভাত এবং সাদা রুটি।
৩. নো মোর আলু।
এতে কিন্তু অনেক লাভ। যেমন রেস্টুরেন্ট এর মাসের বিলটা বাঁচবে। শরীরটা একটু ব্যালান্সড হবে। তাই শিপলু ভাই। ধন্যবাদ। শরীরটা এখন একটু ভালো।

From Dhaka University Teachers Quarter Campaus. Was taken by Son Dong Ho
এখন নাকি ঘোর বরিষণ কাল। তা অবশ্যই বুঝতে পারছি। সকাল থেকে উদাস করা হাওয়া। উদাস উদাস পানির ফোটা। খুব মন খারাপ করার মতোন অবস্থা। বৃষ্টির জন্য নাকি আমার জন্য বুঝি না। শুধু শেষটায় এসে থামি। আজ আমার মন খারাপ দিবস।
অনেক পরিকল্পণা করলাম। কিভাবে শুরু করব মন খারাপের শুরুটা। সবার উপর অভিমান করে?
যে মানুষটা আজকে সকালে আসার কথা ছিল: তার উপর কি অভিমান করব? নাকি যে মানুষটা অনেক মধুর সব প্রতিশ্রুতি দিয়ে আর কিছুই হলো না তার উপর?
সে যাই হোক: আজকে কিন্তু আমার মন খারাপের দিন। আমি মন খারাপ করবই। কিন্তু সমস্য হলো এখানেই। এই যে এখন দমকা বাতাসে আমার বিশাল জানালার কাঁপন শুনছি। মুহূর্তেই এখন হৃদয়ের প্রতিটি প্রকষ্ঠ নাড়া দিয়ে উঠল। কার প্রতি বা কাহার প্রতি এটা ভাবার মতোন সময় নেই। শুধু কাঁপন গুলোন অনুভবে থাকে। কারন আজ আমার মন খারাপের দিন।
প্রতিবছর একটা দিন আমার জন্মদিন। এবারেও। ধন্যবাদ কবিতা। আমার জন্য সুন্দর একটি কেক আনার জন্য এবং ছবির ফ্রেম ও ছবির জন্য।

প্রিয় পাঠক, কেকটি পুরোটা শেষ হয় নি। অনেক মজার কেক।






















I’ve taken these photos from 2006-2008.