
Cornea 2009 Total and the Longest full solar eclipse. Captured from Rangalirbash village of Nageshwari Upozilla at Kurigram District, Bangladesh. Rangalirbash is my own village.

On the begenning of forming the Diamond Ring 2009.

Beginning of Diamon Ring, Phase two. 2009

Begenning of teh solar eclipse: Cloud and Blue Sky, Captured from my village.

During the Solar Eclipse 2009 from my village.

Right before the Full Eclipse 2009.

This clouds I captured from the village Nowdabash of Fulbari Upozilla of Kurigram Distrcit, Bangladesh. This is my Grand Mother’s (Mother) village.
Enjoy!
Photos were taken from my village Rangalirbas of Nageshwari Upozilla from District of Kurigram, Bangladesh. Equipment I used was a Canon 5D MarkII Camera with a 70-200mm Canon IS Lseries lens. Used a professional Menfrotto Tripod.
Wikipedia has published my photos for their documentation and also this photos were published in my Facebook account (http://www.facebook.com/nirjhar). I am now uploading the high res version to my flickr account (http://www.flickr.com/photos/lrnirjhar).
So far I know no one got a clear of eclipse due to cloud. I was lucky! If you need any picture of mine for your publication you may contact me directly.
Happy Solar Eclipse!
I used to be a Panacea and now I am drowning. May be I am searching something or I just don’t want to do something but my pain is killing me with every single bit of my heart. Can’t stay at home nor leave it.

Should I pray? To whom?
I took this photograph about 3years ago in my village. I found this photo after years in my old hard disk. I am really lucky! Yes I am! I am loving this photo. This was taken with a a Nikon D40 with 55mm lens. I have already posted this in my Flickr.

ছোটবেলায় পাঠ্য বইয়ের একটা বিষয় ছিল সামাজিক বিজ্ঞান। সেখানে পরিবারের সংজ্ঞা ছিল। সেটা আমাদের শিক্ষক মুখস্ত করিয়ে নিতেন। কিছুই বুঝি নি। একটু বড় হয়ে গেলে বাবা-মা জোর করে পাঠিয়ে দিলেন স্কুলের হোস্টেলে তাই আবারো পরিবার ছাড়া। ঐ পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা আর ঘুচলো না। বড় হতে থাকলাম পরিবার ছাড়া। মানে যে পরিবারের সংজ্ঞা আমার বাল্যবইয়ে ছিল “আমাদের বাবা-মা, ভাই-বোন, দাদা-দাদী, চাচা-চাচি সবাইকে নিয়ে আমাদের পরিবার।” বাল্যকালের শিক্ষা! না বুঝতে শেখা পরিবার!
ছবিটা আমার বাড়ি থেকে তোলা। ২বছুর আগে সম্ভবত (বা তিন)। আমার ফ্লিকারে পোস্ট করেছি।
www.nirjhar.com
ছবির মানুষটার নাম মনে নেই। তবুও একটু পরিচিতি পর্ব ফরমার আকারে দিচ্ছি।
নাম: অজানা
পেশা: ট্রাক শ্রমিক
বয়স: ৫০ (আনু:)
গ্রাম: রাঙ্গালীর বস্
উপজেলা: নাগেশ্বরী
জেলা: কুড়িগ্রাম।
এইভাবে দেয়ার অর্থ হলো আমি ওনার পোট্রেট করেছি। যদিও তাকে চিনি গ্রাম্যসূত্রে, তবুও তিনি আমার মডেল।
ছবিটা আনুমানিক ৩বছর আগের তোলা। তারিখ মনে নেই।
এবার ঈদে বাড়ি যাচ্ছি না। ঈদের পরে যাব। এবার গিয়ে পোট্রেট কালেকশন বাড়িয়ে ফেলব। দেখা যাক কী হয়!
One of the oldest labor in my village. In my childhood he made lots of bamboo stuff for me. Sometimes he made kites and some times trap to catch birds (dove). He is the best person with Bamboo.
His two sons was my game mate. In my village we raised all together and our entertainment was football. His son was the best goal keeper “Ershadul”.
I took this picture about a year ago with a Nikon D40. In this age he is tired of his physiology. Lots of suffering he is carrying right now but still he can work. He and his bamboo! The day I took this picture he was working with some bamboo stuff. Thanks for being my model Mr. Bamboo!
আমার দুরন্তপনা শৈশবের অনেক উপকারি অধ্যায় এই মানুষটির হাতে সূচিত। বাঁশ দিয়ে হরেক রকমের কাজ করতে পছন্দ করে লোকটি। আজ সে বৃদ্ধ। বয়সের ভারে কিছুটা নত। তবুও কাজ তার থেমে নেই। কুড়িগ্রামে কাজ না করলে খাবে কি?
ছবির মানুষটার নাম পাগলী। হয়তো ছোট বেলায় এর কোন নাম রেখেছিল বাবা মা। কিন্তু বড় হয়ে যখন বুঝেছিল তাদের মেয়ে কিছু শোনেও না বা কিছু বলতেও পারে না তখন তার নৈশব্দের জগতের সাথে সাথে নামটাও হারিয়ে গেছে। আমি চেষ্টা করি নি নামটা জানার। কিন্তু এই মুহূর্তে জানতে ইচ্ছে করছে।
আমি একে চিনি ছোটবেলা থেকেই। আমরা দু’জন একি গাঁয়ে থাকতাম। ও জন্মেছে গরীব পরিবারে আর আমি বিত্তের মাঝে। বয়সে সে আমার চেয়ে ৩বছরের বড় মনে হয়। আমাদের বাড়িতে মাঝে মাঝে কাজ করতে আসত। কথা বুঝত না কিন্তু ইশারা বুঝত। অসম্ভব বুদ্ধিমতি মেয়ে। চোখের দৃষ্টি তার ভয়ঙ্কর রকমের সার্প।
এই ছবিটা তুলি ২বছর আগে। এই নির্বাক মেয়েটির বিয়ে হয়েছিল আগের রাতে। পরের দিন সদ্যস্নাতা অবস্থায় এই ছবিটা তোলা। যার সাথে বিয়ে হয়েছে এ তার দ্বিতীয় বউ। আগের বউও আছে। এই রকম একটা মেয়েকে আর কে বিয়ে করবে? আমি অনেক খুশি হয়েছিলাম। মেয়েটার তবুও তো একটা সংসার হলো। আমাদের কুড়িগ্রামের মানুষেরা এমনিতেই জীবন থেকে বঞ্চনা পেয়ে অভ্যস্ত। তার উপরে পাগলীর জীবনটা তো বঞ্চনার মহাসাগর।
আমি যখন ওদের বাড়ির পাশ দিয়ে মটর সাইকেলে যাচ্ছিলাম। যাচ্ছিলাম প্রায় ৮বছর পরে। যাওয়া হয়ে ওঠেনি। অনেক সভ্য হয়ে গিয়েছিলাম তো, তাই আর অনেক কিছু দেখি নাই। আমি যখন তার বাড়ির কাছে দাড়ালাম। অনেকেই এলো কথা বলতে। অনেকেই অনেক কাল পরে আমাকে দেখল সেদিন। সে যখন আমাকে দেখে চিনতে পারল হাসতে হাসতে ছুটে এলো। আহারে! কি সুন্দর হাসি। এ হাসি দেখার সৌভাগ্য কারো হবে না।
পাগলি তুমি এ লেখা পড়তে পারবে না। তুমি পড়তে জান না। ইন্টারনেট তোমার জন্য তৃতীয় প্রজন্মের সাইন্স ফিকশন। তবুও আমি কোন একদিন এই লেখাটা দেখাব। তুমি কি বুঝবে জানি না। কিন্তু তোমাকে বুঝাতে চাই মানুষের প্রতি মানুষের মমতা এখনও আছে। সুখে থাক। ভালো থাক। অনাবিল হাসি থাক তোমার মুখে।
***********************************************************
এই লেখাটা পোস্ট করার পরে আমার মা’কে দেখালাম যে একে চিনে কীনা! মা বললেন ওর স্বামী ওকে ছেড়ে চলে গেছে। ও নাকি অনেক কান্নাকাটি করেছে। কিছুই জানতে চায় না। শুধু স্বামী কে এনে চায়। আহারে! অবুঝকে বুঝাবে কে? জগৎ বড়ই স্বার্থান্বেষী!

I took this photo from my village about 2years ago from our brick field. These labors were working there. Most of them are under 14. Child workers are fighting in this picture against poverty. Kurigram has the highest level of poor people. There is a special terms for this is “Monga”. Monga means costly. When peoples’ necessary needs went beyond their ability that is MONGA.
Only some heavy industry can solve this Monga problem where lots of employment will be created. Small industry like brick field is doing this small job in Kurigram.
আমার শৈশবের বড় একটা অংশের নাম ফুলকুমার। এটি আমার বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ছো্ট্ট একটা নদী। ভারত থেকে বাংলাদেশে ঢুকেছে। আমার বাচ্চাকালে নদীটার নাম নিয়ে অনেক ভাবতাম। বুঝায় যাচ্ছে অনেক ফুল ভেসে আসত এই নদী দিয়ে। যারা একটু বেশী রোমান্টিক তারা ভাবতে পারেন কোন রাজপুত্র এই নদী দিয়ে পাঠাতো রাশি রাশি ফুল কোন মেয়ের জন্য; ফুলকুমারী!

এই নদীতেই আমি (মনে হয়) সাতার শিখি। মনে হয় এই জন্য যে আমার বর্ণিল শৈশবে সাঁতারের মতোন তুচ্ছ বিষয়টা আয়োজন করে শেখা হয়নি। আজকে এই নদীটার একটা ছবি দিলাম এখানে।

এই ছবিটা আমার বাড়ি (কুড়িগ্রাম) থেকে তোলা। মাচায় সিমগাছের চাষ। তা থেকে লতাটি ঝুলে পড়েছিল সাথে ফুল। মাচানের ছায়া পড়েছে নীচে। ছবিটা আমার অনেক পছন্দ হয়েছে। আমি ছবিটা নিয়েছিলাম একটি নাইকন ডি এসলার দিয়ে। সম্ভবত ১৮মিমি লেন্স দিয়ে তোলা।