
ছবিটা টোপা পানার। আমরা যারা গ্রামে বড় হয়েছি তাদের কাছে অনেক পরিচিত এটি। অবশ্য ইদানিং এই জলজ উদ্ভিদ আর চোখে পড়ে না। কার্প জাতীয় কিছু মাছের দৌরাত্বে এগুলো ভালো জন্মায় না।
ছবিটা তুলেছিলাম সাভার এলাকা থেকে। একটা পুকুর থেকে। শ্যাওলাভরা একটা পুকুরের দেখা অনেক দিন পরে পেয়েছিলাম। সেই পুকুরের মধ্যে অনেকটা বিষন্ন হয়ে ছিল এই টোপা পানাটি। দলবল ছেড়ে একাকী!
ছবিটি তুলেছিলাম নাইকন ডি-৮০দিয়ে। লেন্স ব্যবহার করেছিলাম সম্ভবত ৩০০মিমি ম্যাক্র। অ্যাপারচার প্রায়রিটিতে।
আমি সবসময় র’তে ছবি তুলি। র প্রসেস করার জন্য ব্যবহার করেছি অ্যাডমি ক্যামেরা র ৪.৫।
অনেক আগের তোলা ছবি। বরাবরের মতোন এটি আমার ফ্লিকারে আপলোড করেছি। ছবিটা খুব ভালো মানের কিছু হয় নি। কিন্তু আমার স্মৃতি’র স্বার্থে রেখে দিলাম। আপনাদেরও ভালো লাগবে না। তবুও শেয়ার করলাম। সবাবইকে শুভেচ্ছা।
www.nirjahr.com
আমার সবচেয়ে প্রিয় ছবি
এই ছবিটা তুলেছিলাম আমার আগের বাসার (লালমাটিয়া) ছাদে। সেদিন আমার সাথে ছিলেন আমার একমাত্র মামা। অনেক্ষণ অপেক্ষা করেছিলাম ছবিটি তোলার জন্য। বৃষ্টির ঝাপ্টায় অস্থির হয়ে ছিলাম এইভেবে যে ক্যামেরাটি মনে হয় গেল!

এই ছবিটি ফ্লিকারে প্রকাশ করার পর রাতারাতি অনেক বিখ্যাত হয়ে যাই ফ্লিকার অঙ্গনে। ছবিটি আমাকে দিয়েছি প্রায় ৭০০বন্ধু। ছিবিটি তুলেছিলাম নাইকন ডি-৪০ দিয়ে। সম্ভবত ৫৫মিমি লেন্স এ করা।
মজার বিষয় হচ্ছে এখন পর্যন্ত এই ছবিটিতে মানুষ মন্তব্য করে। এই ছবিটি নিয়ে পৃথিবী জুড়ে ব্লগাররা অনেক আর্টকেল লিখেছেন। অনেকগুলোন ঘরোয়া পুরষ্কার পেয়েছে ছবিটি।
অনেকদিন পরে ছবিটি আমার নিজের ব্লগে প্রকাশ করারা লোভ সামলাতে পারলাম না।
ছবিটা তুলেছিলাম জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। আমার বোনদের দেখতে গিয়েছিলাম। ভালোই ছিল দিনটা। অনেক সকালে গিয়েছিলাম লোকাল একটা বাসে করে। অনেক সকাল তাই অন্য কোন সার্ভিস ছিল না। অনেক ভোরে দেখেছিলাম ক্যাম্পাসটি। কুয়াশায় ঢাকা ছিল চারপাশ, হয়তো আমিও সিক্ত ছিলাম অন্যভাবে।

ছবিটা তুলেছিলাম ৭০মিলিমিটার লেন্স দিয়ে। আসলে লেন্সটি ছিল ৭০-৩০০। সেই মুহূর্তে আর পরিবর্তন করার উপায় ছিল না।
অনেক দিন পরে ছবিটি খুঁজে পেলাম। তাই আর বিলম্ব না করে র ফাইলটিকে প্রসেস করে ফ্লিকারে উঠিয়ে দিলাম। আশা করি ছবিটি ভালো লাগবে সবার।
শুভেচ্ছা।